Dadri Case: ‘প্রতিদিন শুনানি হবে’, দাদরি কাণ্ডে আদালতে মুখ পড়ল যোগী সরকারের…

Dadri Case: ‘প্রতিদিন শুনানি হবে’, দাদরি কাণ্ডে আদালতে মুখ পড়ল যোগী সরকারের…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: দশ বছর পার। উত্তরপ্রদেশের দাদরিতে  মহম্মদ আখলাক খুনের মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিতে চেয়েছিল রাজ্য় সরকার। কিন্ত সেই আর্জি পত্রপাঠ খারিজ করে দিল  উত্তর প্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগরের একটি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত।

রাজ্যের যুক্তি ছিল, এলাকা সম্প্রীতি বজার রাখার জন্যই দাদরি কাণ্ডে অভিযুক্তদের সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়া হোক। কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া দিল না আদালত।  ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে বিচারক  সৌরভ দ্বিবেদীর স্পষ্ট নির্দেশ, দাদরি মামলার শুনানি হবে প্রতিদিন। মামলায় যাবতীয় তথ্য প্রমাণ সুরক্ষিত রাখতে হবে সরকারকেই। এদিকে রাজ্যে আবেদনকে চ্যালেঞ্জ করে আবার  এলাহাবাদ হাই কোর্টে মামলা করেছেন আখলাকের স্ত্রী   ইকরামন।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫।  উত্তরপ্রদেশের দাদরি পরগনার বিসারা গ্রামে খুন হন  মহম্মদ আখলাককে। তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দারা পাথর দিয়ে  পিটিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ। কারণ, গ্রামের গুজব রটেছিল যে, গোমাংস খেয়েছেন আখলাক। দাবি করা হয়েছিল, তাঁর বাড়িতে গোমাংস পাওয়া গিয়েছিল। মারধর করা হয়। মারধর  করা হয় আখলাকের ছোট ছেলে দানিশকেও।

এই ঘটনার শোরগোল পড়ে দিয়েছিল গোটা দেশে। দাদরি কাণ্ডে খুন-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নামে উত্তরপ্রদেশ পুলিস। গ্রেফতার করা হয় ১৮ জন অভিযুক্তকে। তাঁদের মধ্যে তিনজন আবার নাবালক! বিচার চলাকালীনই একজনের মৃত্যু হয় জেলেই। বাকিরা আপাতত জামিনে মুক্ত।

এদিকে উত্তরপ্রদেশেরই উন্নাও ধর্ষণকাণ্ড যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সিংহ সেঙ্গারকে জামিন দিল দিল্লি হাইকোর্ট। স্থগিত হয়ে গেল যাবজ্জীবন সাজাও।  জামিন পেলেও অবশ্য জেলমুক্তি হচ্ছেন কুলদীপের।

২০১৭ সালের জুনে উত্তরপ্রদেশে উন্নাও জেলায় এক নাবালিকাকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ২ বছর পর, ২০১৯ সালে সেই মামলা প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কুলদীপকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত।  যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।  সেই কুলদীপকেই ১৫ লক্ষ টাকা ব্য়ক্তিগত বন্ডে জামিন দিল দিল্লি হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্ট অবশ্য জানিয়েছে,  ‘উন্নাওয়ের নির্যাতিতার বাড়ির পাঁচ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না কুলদীপ’। সঙ্গে নির্যাতিতার পরিবারকে হুমকি না দেওয়ার নির্দেশও।  উন্নাওকাণ্ডে পুলিসের হেফাজতে মৃত্যু হয়েছিল নির্যাতিতার বাবারও। সেই ঘটনায়ও কিন্তু দোষী সাব্যস্ত হন কুলদীপ। যাবজ্জীবনের পাশাপাশি অতিরিক্ত ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাঁকে।

(Feed Source: zeenews.com)