হাদির ‘খুন’ নিয়ে বিস্ফোরক ভাই ওমর, ইউনূস সরকারকেই দায়ী করে আক্রমণ

হাদির ‘খুন’ নিয়ে বিস্ফোরক ভাই ওমর, ইউনূস সরকারকেই দায়ী করে আক্রমণ
বাংলাদেশ : ওসমান বিন হাদির খুন নিয়ে বিস্ফোরক ভাই ওমর বিন হাদি। ইউনূস সরকারকেই দায়ী করে আক্রমণ ওসমান হাদির ভাইয়ের। ‘আপনারাই ওসমান হাদিকে খুন করে ভোট বানচাল করার চেষ্টা করছেন। আপনারা সরকারে থাকতে খুন হয়েছে, দায় এড়াতে পারেন না। বিচারের কাঠগড়ায় আপনাদের উঠতেই হবে’, ইউনূস সরকারকে নিশানা ওমরের। ‘জুলাই বিপ্লবের আগে যাঁরা ক্ষমতায় ছিল, তাঁরা বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছে। ওসমান হাদির বিচার না হলে আপনারাও দেশ ছাড়তে বাধ্য হবেন’, হুঙ্কার ওসমান বিন হাদির ভাই ওমর বিন হাদির।

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশে। হাদিকে মেরে ফেলে সেই ঘটনাকে ইস্যু বানিয়ে নির্বাচনে প্রভাব ফেলার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহত ওসমান বিন হাদির ভাই ওমর বিন হাদি। এই ব্যাপারে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকেই সরাসরি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ঢাকায় মাথায় গুলিবদ্ধ হন বাংলাদেশের ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান বিন হাদি। চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয় তাঁর। আর এই ঘটনার পর থেকেই উত্তপ্ত বাংলাদেশের একাংশ।

ঢাকার শাহবাগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে ওসমান হাদির ভাই শরিফ ওমর হাদি বর্তমান বাংলাদেশ সরকারকে লক্ষ্য করে বলেছেন, ‘আপনারা ওসমান হাদিকে হত্যা করেছেন এবং এখন এটাকে ইস্যু করে নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছেন।’ নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন ওমর। তিনি এও জানিয়েছেন যে, তাঁর ভাই চাইতেন ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে নির্বাচন হোক। তাই সরকারের উচিত এই ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং নির্বাচনে যাতে কোনওরকম প্রভাব না পড়ে, সেদিকে অজর রাখা।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে তৈরি হয়েছিল সাংস্কৃতিক সংগঠন ইনকিলাব মঞ্চ। সেই সংগঠনেরই মুখপাত্র ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা। কার্যত সেই সময় থেকেই উত্থান ইনকিলাব মঞ্চ এবং তার মুখপাত্রের। এবছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ঢাকায় গুলিবিদ্ধ হন হাদি। খুব কাছ থেকে তাঁর মাথায় গুলি করা হয় বলে খবর। চিকিৎসার জন্য এয়ার লিফট করে হাদিকে নিয়ে যাওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। পরে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়, ১৮ ডিসেম্বর। এরপর থেকেই অশান্ত রয়েছে ঢাকা-সহ বাংলাদেশের একাধিক এলাকা।

(Feed Source: abplive.com)