Khaleda Zia’s Funeral: নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় মানুষের ঢল, সাড়ে তিনটেয় স্বামীর সমাধির পাশে দাফন খালেদা জিয়ার

Khaleda Zia’s Funeral: নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় মানুষের ঢল, সাড়ে তিনটেয় স্বামীর সমাধির পাশে দাফন খালেদা জিয়ার

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বেলা দুটোয় ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা। সকাল নটার পর ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতাল থেকে জাতীয় পতাকা মোড়া শববাহী গাড়িতে খালেদা জিয়ার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় গুলশান-২ এ তাঁর বাসভবন ফিরোজায়। সেখান থেকে কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ হয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের ৬ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার মরদেহ রাখা হবে। বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ তাঁকে তাঁর স্বামী ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে দাফন করা হবে।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নামাজে জানাজায় অংশ নিতে ও তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে কাতারে কাতারে মানুষ আসছেন ঢাকায় । তাদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এলাহি নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে মানুষ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে দাঁড়াতে পারেন তার জন্য একাধিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

দুপুরে নামাজে জানাজার পর বেলা ৩.৩০ নাগাদ শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হবে। ফলে সেইসময় সেখানে উপস্থিত থাকবেন খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্য, দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সরকারি আমলা, রাষ্ট্রদূত ও শীর্ষ রাজনীতিবিদরা। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যপাক ব্য়বস্থা করা হয়েছে।

খালেদা জিয়ার অন্তেষ্টিতে অংশ নিতে আসছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার, পাক সংসদের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি এন ধুংগিয়েল, মালদ্বীপের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী আলী হায়দার আহমেদ, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা ও শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিতা হেরাথ।

এদিকে, প্রয়াত নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দেশের বিভিন্নি প্রান্ত থেকে মানুষজন আসছেন ঢাকায়। ট্রেনে, বাসে, লঞ্চে, ট্রাকে চেপে রওনা দিয়েছেন ঢাকার উদ্দেশে। অনেক ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন ঢাকায়। মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকেই সেই সংখ্যা বাড়তে থাকে। অনেকেই রাতের বাসে রাজধানীর পথে রওনা দিয়েছেন। এছাড়া, ভোলা, বরিশাল, চাঁদপুর থেকে নদীপথেও নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকামুখী ট্রেনেও নেতাকর্মীদের ভিড় দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, বহু দিন থেকে একাধিক রোগে ভুগছিলেন খালেদা জিয়া। দেশ ছাড়ার অনুমতি পাওয়ার পর উন্নত চিকিত্সার জন্য খালেদা জিয়াকে এয়ার অ্যাম্বুল্যন্সে লন্ডন নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ফেরি খানিকচা সুস্থই ছিলেন। কিন্তু সেই পরিস্থিতি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। শেষপর্যন্ত তাঁকে ভর্তি করা হয় ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে। মঙ্গলবার সকাল ৬টা নাগাদ সেখানেই মারা যানা বেগম জিয়া। আজ বুধবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবন মাঠ ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব জানাজার নামাজ পড়াবেন। এরপর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

(Feed Source: zeenews.com)