
মুম্বই: আগামী বছর আইপিএলে কি আদৌ বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা খেলতে পারবেন? নিলাম থেকে সে দেশের তারকা বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমনকে দলে নিয়েছিল কেকেআর। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে যেভাবে ভারত বিদ্বেষী স্লোগান উঠেছে, এরপর অনেকেই বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের এ দেশে খেলা বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাহলে কি কাটার মাস্টারের কলকাতার জার্সি গায়ে চাপানো হচ্ছে না?
এখনও পর্যন্ত অফিশিয়াল কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি বিসিসিআইয়ের তরফে। তবে সূত্রের খবর, এই বিষয়ে ধীরে চলো নীতিই নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সেক্ষেত্রে এখনই কোনও বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে এ দেশে আইপিএল খেলাতে নিষেধাজ্ঞা রাখা হচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড কর্তা জানিয়েছেন, ”আমরা দু দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। আমরা সরকারের সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে যোগাযোগ রাখছি। তবে এখনও পর্যন্ত এমন কোনও বার্তা আমাদের কাছে পৌঁছায়নি যে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের এ দেশে খেলাতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার মত। তাই মুস্তাফিজ অবশ্যই আইপিএলে খেলতে পারবে। বাংলাদশে আমাদের শত্রু দেশ নয়।”
আবুধাবিতে হওয়া গত মাসে নিলাম থেকে ৯.২০ কোটি টাকা দিয়ে মুস্তাফিজুরকে দলে নিয়েছিল কেকেআর। বাংলাদেশের একমাত্র ফিজই আইপিএের নিলামে দল পেয়েছেন। এর আগে সানরাইজার্স, দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সিতে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।
উল্লেখ্য়, ১৬ ডিসেম্বর আবু ধাবিতে বসেছিল আইপিএলের মিনি নিলামের আসর। সেখান থেকে কেকেআর দলে নিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমানকে। নাইটরা তাঁকে কিনেছে ৯ কোটি ২০ লক্ষ টাকায়। আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের পাওয়া সর্বোচ্চ মূল্য এটি। এর আগে ২০০৯ সালে মাশরাফিকে ৬ লক্ষ ডলারে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বর্তমান হিসাবে সেটা ৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। তবে সেই সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর।
যদিও বাংলাদেশের ছবি দেখে স্তম্ভিত গোটা বিশ্ব, ভারতও। ওপার বাংলায় মৌলবাদীদের আগ্রাসন আর ধর্মের নামে হানাহানিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সংখ্যালঘুরা। শেখ হাসিনার অপসারণ চেয়ে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা ক্রমশ সংখ্যালঘুদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। রোজই কোনও না কোনও মৃত্যুর খবর আসছে।
একটা সময় মাশরাফি মূর্তজা, শাকিব আল হাসান, লিটন দাসের মতো বাংলাদেশের ক্রিকেটার খেলে গিয়েছেন কেকেআরে। এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি তারকা খেলেছেন কেকেআর জার্সিতেই। ফিজ কি সেই তালিকায় নাম লেখাতে পারবেন? উত্তর সময়ই দেবে।
(Feed Source: abplive.com)
