ভেনিজুয়েলার পর নজর কিউবায়? তেল-টাকা বন্ধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, ভেবে রেখেছেন ভবিষ্যৎও!

ভেনিজুয়েলার পর নজর কিউবায়? তেল-টাকা বন্ধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, ভেবে রেখেছেন ভবিষ্যৎও!
নয়াদিল্লি: ভেনিজুয়েলায় সামরিক পদক্ষেপের পর থেকেই ইঙ্গিত দিয়ে আসছিলেন। এবার কিউবাকে একেবারে হুঁশিয়ারি দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অবিলম্বে বাণিজ্যচুক্তিতে সম্মত না হলে, তাদের তেল-টাকা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন যেমন, তেমনই জানিয়ে দিলেন, এখনই বাণিজ্যচুক্তি করে নেওয়া উচিত কিউবার। নইলে বড্ড দেরি হয়ে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, আমেরিকাকে যদি সামরিক পদক্ষেপ করতেই হয়, সেক্ষেত্রে কিউবার সম্ভাব্য ভাবী প্রেসিডেন্ট কে হবেন, তাঁর নামও ভেবে রেখেছেন ট্রাম্প। (Donald Trump Warns Cuba)

সোশ্যাল মিডিয়ায় কিউবাকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি লেখেন, ‘কিউবায় আর কোনও তেল অথবা টাকা ঢুকবে না-জ়িরো! আমি পরিষ্কার বলছি, বেশি দেরি হয়ে যাওয়ার আগে চুক্তিতে এসো। ভেনিজুয়েলার বিপুল তেল এবং টাকার দৌলতে বহু বছর ধরে বেঁচে রয়েছে কিউবা। পরিবর্তে ভেনিজুয়েলার দুই স্বৈরাচারী শাসককে নিরাপত্তা দিয়ে এসেছে ওরা। কিন্তু আর নয়! কিউবার ওই সব নাগরিকরা গত সপ্তাহে আমেরিকার আক্রমণে মারা গিয়েছেন। ভেনিজুয়েলার আর নিরাপত্তার দরকার নেই। আমেরিকা আছে, আমেরিকার শক্তিশালী সেনা আছে’। (Donald Trump)

কিউবা আমেরিকা আক্রমণ করলে কী হবে, সেই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে এখন থেকেই। তেমনটা ঘটলে আমেরিকার বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও-কে কিউবার প্রেসিডেন্ট করা যায় কি না, সেই সুপারিশও জমা পড়ে ট্রাম্পের কাছে। জবাবে ট্রাম্প লেখেন, ‘বেশ ভাল প্রস্তাব’। হোয়াইট হাউস বা আমেরিকার কংগ্রেসের তরফে এ নিয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি যদিও। তবে ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছেন। তাই প্রমাদ গুনতে শুরু করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।

ভেনিজুয়েলায় ঢুকে দেশের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে বন্দি করে বের নিয়ে যায় আমেরিকা। আর তার পরই কিউবা, কলম্বিয়া, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করতে শুরু করেন ট্রাম্প। কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ়-কানেল শনিবার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান সেই নিয়ে। ভেনিজুয়েলা আক্রমণ নিয়েও আক্রমণ শানান তিনি। বলেন, “এই ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা করে কিউবা। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। একটি শান্তিপূর্ণ দেশ, যারা আমেরিকার জন্য় একেবারেই বিপজ্জনক নয়, সেখানে সামরিক আগ্রাসন দেখানো হয়েছে।”

ভেনিজুয়েলা থেকেই ৩০ শতাংশ তেল আমদানি করে কিউবা। পরিবর্তে কিউবার হাজার হাজার চিকিৎসাকর্মী ভেনিজুয়েলায় পরিষেবা প্রদান করেন. ভেনিজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ হলে কিউবায় সঙ্কট নামবে। দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়বে বেশ। ভেনিজুয়েলায় কর্মরত কিউবার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

(Feed Source: abplive.com)