
গত তিন সপ্তাহব্যাপী অশান্তি ইরানের ৩১টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগ উঠছে। হাসপাতালে লাশের স্তূপ জমছে বলেও সামনে আসছে দাবি। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুসারে, নিরাপত্তাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৭৮ জন মারা গিয়েছেন। গ্রেফতার করা হয়েছে ২৬০০ মানুষকে। দীর্ঘক্ষণ ধরে ইরানে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ। টেলিফোন সংযোগ পর্যন্ত বিচ্ছিন্ন। এমতাবস্থায় নির্বাসন থেকে বিক্ষোভকারীদের বার্তা দিয়েছেন, যুবরাজ রেজা পহলভিও, যিনি ইরানের শেষ শাহ মহম্মদ রেজা পহলভির জ্যেষ্ঠপুত্র। তিনি জানিয়েছেন, ট্রাম্প ইরানের বিক্ষোভকারীদের সাহায্য করতে প্রস্তুত। আমেরিকা থেকেই নিজেকে ইরানের আসল নেতা বলে ঘোষণা করেছেন তিনি। গত বছর ইরান এবং ইজ়রায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালীনও দেশবাসীকে পাশে পেতে আর্জি জানান তিনি।
ইরানের পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে আমেরিকা। ট্রাম্পের দাবি, তিনিও পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লেখেন, “ইরান স্বাধীনতা চাইছে, আগের চেয়েও বেশি মরিয়া। আমেরিকা সাহায্য় করতে প্রস্তুত।” এদিকে দেশে যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার জন্য সরাসরি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলকে দায়ী করে ইরান। শুধু তাই নয়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তার পাল্টা জবাবও দিয়েছে ইরান। প্রয়োজনে আমেরিকাকে আঘাত করতে পিছপা হবে না বলে জানিয়েছে তারা।
তারপরে আমেরিকার স্থানীয় সময় রবিবার ট্রাম্প দাবি করেন, একটি মিটিং (ইরান ও আমেরিকার মধ্যে) আয়োজনের প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে, “ইরানের অভ্যন্তরে চলতে থাকা ঘটনাবলী আলোচনা শুরু হওয়ার আগে ওয়াশিংটনের হাতকে বাধ্য করতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায়, “আমরা ওদের সঙ্গে দেখা করতে পারি। মানে, একটা মিটিং আয়োজনের চেষ্টা চলছে। কিন্তু, যা ঘটছে তার জন্য বৈঠকের আগেই আমরা সক্রিয় হয়ে উঠতে পারি। তবে, একটা মিটিংয়ের আয়োজন করার চেষ্টা হচ্ছে।”
(Feed Source: abplive.com)
