
বেলজিয়ামের আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন, ইন্ডিয়া ডায়াবেটিস রিসার্চ ফাউন্ডেশন এবং চেন্নাইয়ের ডাঃ এ রামচন্দ্রন ডায়াবেটিস হাসপাতালের গবেষকরা বলেছেন যে, চিন, ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তানের মতো বৃহৎ জনসংখ্যার দেশগুলিতে বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিসে আক্রান্তের একটা বড় অংশ রয়েছে। ডায়াবেটিসে আক্রান্তের নিরিখে ২০৫০ সাল নাগাদ আমেরিকাকেও টপকে যেতে পারে পাকিস্তান, এমন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। ২০০৫ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ২১৫টি দেশ এবং অঞ্চলের ২৪৬টি গবেষণা বিশ্লেষণের পর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
৬ মাসেরও কম বয়সী বাচ্চাদের শরীরেও থাবা বসাচ্ছে ডায়াবেটিস ! সম্প্রতি এমন নতুন ধরনের ডায়াবেটিসেরই খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিকদের একটি দল ৬ মাসেরও কম বয়সী বাচ্চাদের শরীরে এক বিশেষ ধরনের ডায়াবেটিসের খোঁজ পেয়েছেন। তাঁদের গবেষণা জানাচ্ছে, ৬ মাসের কম বয়সী বেশ কিছু শিশুর শরীরে ডায়াবেটিস থাবা বসাচ্ছে। এই ধরনের ক্ষেত্রে, ৮৫ শতাংশরও বেশি কেসে দেখা গিয়েছে, শিশুদের ডিএনএ- তে জিনগত পরিবর্তনের কারণে এই রোগ দেখা দেয়।
অ্যাডাভন্সড ডিএনএ সিকুয়েন্সিং টেকনোলজি এবং স্টেম সেল রিসার্চের একটি নতুন মডেল ব্যবহার করে ব্রিটেনের এক্সটার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি দল এবং Université Libre de Bruxelles (ULB) – এর গবেষকদের একটি দল, TMEM167A- এই জিনে মিউটেশন খুঁজে পেয়েছেন। শিশুদের বিরল ডায়াবেটিসের জন্য এই মিউটেশনই দায়ী বলে জানা গিয়েছে। গবেষকদের দল তাঁদের গবেষণায় মৃগী বা এপিলেপসি এবং microcephaly- র মতো অতিরিক্ত স্নায়বিক সমস্যায় আক্রান্ত ৬ জন শিশুর TMEM167A জিনে পরিবর্তন দেখতে পেয়েছেন।
সমস্ত বিষয়টি বোঝার জন্য গবেষকদের দল স্টেম সেল- কে প্যাংক্রিয়াটিক বিটা সেল এবং জিন এডিটিং টেকনিক অর্থাৎ CRISPR- র ভাগ করেছিলেন। এরপর গবেষকরা দেখেন যে, TMEM167A জিনে যখন পরিবর্তন হয়েছে, তখন ইনস্যুলিন উৎপাদনকারী কোষগুলি নিজেদের কাজ সঠিক ভাবে করা বন্ধ করে দেয়। ক্রমে স্ট্রেসের মাত্রা বাড়াতে থাকে এইসব কোষ, যা ধীরে ধীরে আক্রান্তকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। Journal of Clinical Investigation- এ প্রকাশিত হয় এই গবেষণা সংক্রান্ত তথ্য।
(Feed Source: abplive.com)
