US Sanctions On Iran: বিগ ব্রেকিং! ইরানকে ‘ব্যান’ করল আমেরিকা! এবার খামেইনির টুঁটি টিপে ধরলেন রুদ্রমূর্তি ট্রাম্প!

US Sanctions On Iran: বিগ ব্রেকিং! ইরানকে ‘ব্যান’ করল আমেরিকা! এবার খামেইনির টুঁটি টিপে ধরলেন রুদ্রমূর্তি ট্রাম্প!

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে (Iran Unrest) নাক গলাতে-গলাতে অনেক দূর এগিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা। এবার ইরানের উপর বড় মাপের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ফেলল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US Slaps Sweeping Sanctions On Iran)। মার্কিন মুলুক বৃহস্পতিবার পাঁচ ইরানি কর্মকর্তার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে নেপথ্যে থেকে ইরানে চলতি বিক্ষোভ দমনের পরিকল্পনা (oppress Iranian people) করার অভিযোগ আনা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের উপর চাপ বজায় রেখে চলেছেন, আর তার মধ্যেই এই পদক্ষেপ করা হল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইরানি নেতাদের অর্থ আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলোয় পাঠানো হচ্ছে কি না (financial networks and global banking system), সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

কারা ব্যান

পাঁচ ইরানি কর্মকর্তার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা। তাঁদের বিরুদ্ধে নেপথ্যে থেকে ইরানে চলতি বিক্ষোভ দমনের পরিকল্পনার অভিযোগ আনা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের উপর চাপ বজায় রেখে চলেছেন, আর তার মধ্যেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন অর্থ দফতর অবশ্য আরও ১৮ জনের উপর পৃথক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা নাকি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ইরানি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির ছায়া ব্যাংকিং নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে কাজ করছিলেন। মূলত বিদেশি বাজারে ইরানের পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বিক্রির অর্থ পাচারের সঙ্গে তাঁরা জড়িত বলে দাবি আমেরিকার।

কেন ব্যান? 

মার্কিন অর্থ দফতর এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি, ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কমান্ডার-সহ মোট পাঁচ কর্মকর্তার উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই কর্মকর্তাদের বিক্ষোভ দমনের মূল রূপকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফারদিস কারাগারের উপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের অভিযোগ, এই কারাগারে নারীরা নিষ্ঠুর, অমানবিক ও অপমানজনক আচরণের শিকার হয়েছেন।

নেতারা সাবধান!

ইরানের নেতাদের প্রতি ওয়াশিংটনের বার্তা স্পষ্ট। প্রকাশিত এক ভিডিয়ো বার্তায় মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে বলতে শোনা গিয়েছে, মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জেনেছে, এই ঘোর সংকটময় মুহূর্তে নিজেরা বাঁচার জন্য মরিয়া হয়ে ইরানি পরিবারগুলোর কাছ থেকে চুরি করা অর্থ বিশ্বের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পাঠিয়ে দিচ্ছেন ইরানের নেতারা। আমরা সেই অর্থ ও ওই নেতাদের খুঁজে বের করব।

ইরান কী বলছে?

রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ইরানি মিশনের কাছ থেকে এই সব বিষয়ে তাদের কী বক্তব্য, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কাছ থেকে কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে, ইরানের শাসকগোষ্ঠী তাদের দেশে অস্থিরতা উসকে দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকেই দায়ী করেছে। বলাই বাহুল্য, আমেরিকা ও ইসরায়েল– এই দুই দেশই তাদের দীর্ঘদিনের শত্রু! ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যেসব অর্থনৈতিক সমস্যাকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভের সূচনা হয়েছিল, তার কিছু কিছু সমাধানের চেষ্টা করেছে সরকার। দুর্নীতি ও বৈদেশিক মুদ্রাসংক্রান্ত বিনিময় হারের সমস্যাগুলি মোকাবিলার পরিকল্পনা রয়েছে এতে। এর ফলে দরিদ্র মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে বলেই আশা।

কেন জ্বলছে ইরান?

ইরানে জিনিসপত্রের ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে বিক্ষোভের মধ্যে দিয়ে সেখানে সাম্প্রতিক এই অস্থিরতার সূচনা। ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ইরানের ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলির একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে এই অশান্তি। এদিকে ট্রাম্প বারবারই বিক্ষোভকারীদের সমর্থন জানিয়ে ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়ে এসেছেন।

(Feed Source: zeenews.com)