‘আমেরিকার নতুন ম্যাপে কানাডা, গ্রিনল্যান্ড ও ভেনিজুয়েলা’, ট্রাম্পের নতুন পোস্ট ঘিরে শোরগোল

‘আমেরিকার নতুন ম্যাপে কানাডা, গ্রিনল্যান্ড ও ভেনিজুয়েলা’, ট্রাম্পের নতুন পোস্ট ঘিরে শোরগোল
ওয়াশিংটন ডিসি : গ্রিনল্যান্ড দখলে কার্যত বদ্ধপরিকর ডোনাল্ড ট্রাম্প। সঙ্গে নজরে ভেনিজুয়েলা ও কানাডাও। Truth Social-এ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছবি শেয়ার করেছেন। যাতে ইউরোপের অন্য নেতাদের সঙ্গে তাঁর একটি পুরনো ছবি রয়েছে। হাতে আমেরিকার পতাকা। ছবিতে দেখানো হয়েছে, কানাডা, গ্রিনল্যান্ড ও ভেনিজুয়েলা আমেরিকার অংশ।

পোস্টে দেখা যাচ্ছে, NATO-র নেতাদের সঙ্গে ওভাল অফিসে বসে ট্রাম্প। সেখানে রয়েছেন- ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রো, ইতালির জর্জিয়া মেলোনি, ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার এবং অন্যদের মধ্যে ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন। অপর একটি পোস্টে দেখা যাচ্ছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ও সেক্রেটারি অফ স্টেট মার্কো রুবিওকে নিয়ে গ্রিনল্যান্ডে আমেরিকার পতাকা তুলছেন ট্রাম্প। আর মাইলফলকে লেখা, “Greenland US Territory Est 2026”.

রাতবিরেতে রুদ্ধশ্বাস অভিযান ভেনিজুয়েলায়। সস্ত্রীক বন্দি করা হয় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে। দেশের শাসনকার্য এবং খনিজ সম্পদের উপরও নিজেদের কর্তৃত্ব ঘোষণা করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কাটাছেঁড়া চলছেই। এরই মধ্যে ট্রাম্প জানিয়ে দেন, আপাতত আমেরিকাই ভেনিজুয়েলা চালাবে। পরে, হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিয়াভিটও আমেরিকার অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে দিয়ে বলেন, “ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরীণ প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখে চলছে ট্রাম্প প্রশাসন। ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরীণ প্রশাসনে এই মুহূর্তে আমাদের সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য সাধনের উপায় রয়েছে। ওদের সিদ্ধান্ত নির্দেশ করবে আমেরিকা।”

খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত করতে বেশ কিছু দিন ধরেই সরব ট্রাম্প। নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার্থেই গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার ছত্রছায়ায় আনা প্রয়োজন বলে যদিও দাবি করছেন তিনি। তাঁর দাবি, চিন এবং রাশিয়া যাতে সেখানে আধিপত্য কায়েম করতে না পারে, তাই গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত চান তিনি। কিন্তু কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আসলে গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদেই নজর তাঁর। এই পরিস্থিতিতে টেলিফোনে NATO-র সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুট্টের সঙ্গে কথা বলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রুট্টের কাছে গ্রিনল্যান্ড প্রসঙ্গে আমেরিকার ভাবনাচিন্তা স্পষ্ট করে দিয়ে বলেন, আমেরিকানদের জন্য এটা অবিচ্ছেদ্য এবং বৃহত্তর অর্থে বিশ্বের নিরাপত্তার জন্য। দ্বিপাক্ষিক এই আলোচনার কথা পরে Truth Social-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে জানান ট্রাম্প।

একইভাবে, গত বছর ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, কানাডা আমেরিকার ৫১তম রাজ্য। যদিও, ভোটে জয়ের কিছু পরেই প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে তাঁর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্পের বক্তব্য খারিজ করে দিয়েছিলেন।

(Feed Source: abplive.com)