Hiran Chatterjee Second Marriage Controversy: ‘দিনের পর দিন মানসিক অত্যাচার করেছে, লজ্জায় কিছু বলিনি’, ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে! বিস্ফোরক প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা…

Hiran Chatterjee Second Marriage Controversy: ‘দিনের পর দিন মানসিক অত্যাচার করেছে, লজ্জায় কিছু বলিনি’, ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে! বিস্ফোরক প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়কে ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করলেন বিজেপি বিধায়ক ও অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বেনারসের ঘাটে চুপিসারেই মডেল ঋতিকা গিরির সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন হিরণ, সোশ্যাল মিডিয়া থেকেই স্বামীর বিয়ের কথা জানতে পারেন প্রথম স্ত্রী। জি ২৪ ঘণ্টার তরফে অনিন্দিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ‘দীর্ঘদিন মানসিক অত্যাচার করেছেন হিরণ, লজ্জায় কোনওদিন কাউকে জানাইনি’।

পেশায় একটি বুটিকের কর্ণধার অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। একমাত্র মেয়েকে নিয়ে তিনি থাকেন কলকাতার এক অভিজাত আবাসনে। ২০০০ সালে বিয়ে করেন হিরণ ও অনিন্দিতা। বর্তমানে তাঁদের মেয়ের বয়স ১৯ বছর। বেশ কয়েক বছর ধরেই দাম্পত্য কহল রয়েছে অনিন্দিতা ও হিরণের মধ্যে। খড়গপুরে জেতার পরে সেখানে একাই থাকেন হিরণ। মাঝে মাঝে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে আসেন কলকাতায়। ঋতিকা গিরির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে প্রায়শই ঝামেলা হত অনিন্দিতা এবং হিরণের মধ্যে। সেই সময় ঋতিকা সঙ্গে সম্পর্কের কথা অস্বীকার করতেন হিরণ, এমনটাই দাবি প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার।

অনিন্দিতা জানান, ‘আমাদের ২০০০ সালের ১১ ডিসেম্বর বিয়ে হয়েছে। গত বছর ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে’। তাহলে কী ডিভোর্সের কেস চলছে? অনিন্দিতার সাফ জবাব, ‘না’। ডিভোর্স না দিয়েই কীভাবে দ্বিতীয় বিয়ে করলেন হিরণ, এই খবরে স্তম্ভিত অনিন্দিতা। তিনি বলেন, ‘বেশ কিছু বছর ধরেই আমাদের উপর মানসিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা কখনও সেগুলো জনসমক্ষে বলিনি। আমার মেয়ের বয়স ১৯ বছর, সে কলেজে পড়ে, তার একটা সম্মান আছে। আমার একটা সম্মান আছে। আমি অনেক কিছুই কানাঘুষো শুনেছি, তবে নিজের সম্মানার্থে কখনই আমি মুখ খুলিনি। কিন্তু এখন তো সব জনসমক্ষে।’

হিরণের স্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি আর আমার মেয়ে মানসিকভাবে খুব ভেঙে পড়েছি। দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কী করব? এখনও উদ্বেগে আমার হাত পা কাঁপছে। আমি আমার বুটিকে ছিলাম, তাড়াতাড়ি করে বাড়ি ফিরলাম’। অনিন্দিতা জানান, অনেকদিনই তাঁরা আলাদা থাকতেন কিন্তু মাঝে মাঝেই মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে তিনি আসতেন।

‘আমি যেহেতু কানাঘুষো আগেই শুনতাম, নিজেকে মানসিকভাবে তৈরি রেখেছিলাম, এটা আমার কাছে খুবই লজ্জার। এটা নিয়ে আমাদের প্রায়ই অশান্তি লেগে থাকত। ও সবসময় এই মেয়েটির সঙ্গে ওর সম্পর্ক অস্বীকার করত। হিরণের দাবি ছিল যে মেয়েটি নাকি ওকে ব্ল্যাকমেলিং করছে। মেয়েটি আমার মেয়ের থেকে মাত্র ২ বছরের বড়, এটা আমার কাছে সবচেয়ে লজ্জার। এটা একটা অভিমানের জায়গা ছিল, এখন তো আর কিছুই রাখল না’, দীর্ঘশ্বাস ফেলেন অনিন্দিতা।

অনিন্দিতা আরও বলেন, ‘আমাদের অনেক মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে হিরণ। এবার দেখি আমরা কী করতে পারি!’ এবার কি ডিভোর্স ফাইল করবেন বা পুলিসে অভিযোগ? অনিন্দিতা জানান, তাঁর গার্ডিয়ানদের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি আগামী সিদ্ধান্ত নেবেন।

(Feed Source: zeenews.com)