‘আমেরিকা ছাড়া কেউ গ্রিনল্যান্ডকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না, আমাদের বিশাল ক্ষমতা’

‘আমেরিকা ছাড়া কেউ গ্রিনল্যান্ডকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না, আমাদের বিশাল ক্ষমতা’
দাভোস : “আমি প্রত্যেককে খুব সোজাভাবে জানিয়েছি যে, জাতীয় ও বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড অপরিহার্য। আর ফিরে আসা যাবে না — এই বিষয়ে সকলেই একমত।” দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দিতে যাওয়ার আগে একথা সরাসরি NATO-র সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুট্টেকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। দাভোসের মঞ্চেও সেই একই কথার প্রতিধ্বনি শোনা গেল ডোনাল্ড ট্রাম্পের গলায়। পাশাপাশি আধিপত্য বিস্তারের কায়দায় তিনি গর্জে উঠলেন, “আমেরিকা ছাড়া কোনও দেশ বা একাধিক দেশের গোষ্ঠী মিলেও গ্রিনল্যান্ডকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না। আমাদের বিশাল ক্ষমতা। মানুষ যা ভাবে তার থেকেও বেশি। আমার মনে হয়, দুই সপ্তাহ আগেই ভেনিজুয়েলায় সকলে সেটা বুঝে গেছেন।” তাঁর সংযোজন, “আমরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে দেখেছি, যখন মাত্র ছয় ঘণ্টা যুদ্ধের পর ডেনমার্ক জার্মানির কাছে পরাজিত হয়েছিল এবং নিজেদের বা গ্রিনল্যান্ডকে রক্ষা করতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়ে পড়েছিল। তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য হয়েছিল। আমরা গ্রিনল্যান্ড অঞ্চলকে ধরে রাখার বাধ্যবাধকতা অনুভব করেছি। অনেক খরচ করে ধরে রাখার জন্য আমাদের নিজস্ব বাহিনী পাঠিয়েছি। ওদের একাজ করার সুযোগ ছিল না। ওরা চেষ্টা করেছিল। ডেনমার্ক সেটা জানে। আমরা আক্ষরিক অর্থেই ডেনমার্কের জন্য গ্রিনল্যান্ডে ঘাঁটি স্থাপন করেছি। আমরা ডেনমার্কের জন্য লড়াই করেছি। আমরা অন্য কারো জন্য লড়াই করছিলাম না। আমরা ডেনমার্কের জন্য এটা বাঁচাতে লড়াই করছিলাম। বিশাল, সুন্দর বরফের টুকরো। এটাকে স্থলভাগ বলা কঠিন। এটা বরফের একটা বিশাল টুকরো। কিন্তু আমরা গ্রিনল্যান্ডকে বাঁচিয়েছি এবং আমাদের গোলার্ধে শত্রুদের পা রাখা থেকে সফলভাবে বিরত রেখেছি…।”

(Feed Source: abplive.com)