অভিষেক-রিঙ্কুর প্রলয়ে ৪৮ রানে নিউজ়িল্যান্ডকে হারাল ভারত, এগিয়ে গেল টি-২০ সিরিজে

অভিষেক-রিঙ্কুর প্রলয়ে ৪৮ রানে নিউজ়িল্যান্ডকে হারাল ভারত, এগিয়ে গেল টি-২০ সিরিজে
নাগপুর: দেওয়াল লিখনটা যেন পড়া যাচ্ছিল ভারতের ইনিংসের পরেই। যখন প্রথমে ব্যাটিং করে ২৩৮/৭ তুলেছিল ভারত।  নিউজ়িল্য়ান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ ক্রিকেটে যা ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর।

তবে, নাগপুরের নতুন করে প্রস্তুত করা পিচে নিউজ়িল্যান্ডকে কেউ হিসেবের বাইরে রাখছিলেন না। বিশেষ করে ভারতকে পরে ফিল্ডিং করতে হচ্ছিল বলে। পরে বোলিং করা মানেই যে শিশির আতঙ্ক। রাতের শিশির ভেজা বল গ্রিপ করতে গিয়েই যে সমস্যায় পড়বেন বোলাররা! যে কারণে টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাটিং করতে পাঠান নিউজ়িল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। টসের পর ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও সাফ জানিয়ে দেন যে, তাঁরাও প্রথমে বোলিং করে নিলেই স্বচ্ছন্দ হতেন। প্র্যাক্টিসের সময়ই রাতের শিশির দেখেছেন।

তবে সব হিসেব নিকেশ বদলে দিল অভিষেক শর্মা ও রিঙ্কু সিংহের দুরন্ত ব্যাটিং। একজন করলেন ৩৫ বলে ৮৪ রান। অন্যজন ২০ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত রইলেন। ভারতও পাহাড় প্রমাণ ২৩৮/৭ তুলল।

রেকর্ড গড়ার ম্যাচে জ্বলে উঠলেন অভিষেক শর্মা। নাগপুরকে বলা হয় অরেঞ্জ সিটি। কমলালেবুর শহর। সেখানে নিউজ়িল্যান্ডের বোলিংকে নাকানিচোবানি খাওয়ালেন পঞ্জাব দা পুত্তর। ইনিংস ওপেন করতে নেমে ৩৫ বলে করলেন ৮৪ রান। ৫ চার ও ৮ ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস। একটা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় বলাবলি হচ্ছিল, শুধু চার-ছক্কায় রান তুলবেন অভিষেক। সেঞ্চুরিও নিশ্চিত মনে হচ্ছিল। যদিও সামান্য আগে থামতে হয় অভিষেককে।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে কখনওই স্বচ্ছন্দ ছিল না নিউজ়িল্যান্ড । শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে । প্রথম ওভারেই ডেভন কনওয়েকে ফিরিয়ে ধাক্কা দেন অর্শদীপ সিংহ । দ্বিতীয় ওভারে রাচিন রবীন্দ্রকে ফেরান হার্দিক পাণ্ড্য । সেখান থেকে ৪০ বলে ৭৮ রান করে পাল্টা লড়াই চালান গ্লেন ফিলিপ্স । তবে তা যথেষ্ট ছিল না ।

ভারতীয় বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট নেন বরুণ চক্রবর্তী ও শিবম দুবে। ১টি করে উইকেট অর্শদীপ, হার্দিক ও অক্ষর পটেলের। ৪৮ রানে প্রথম ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে রইল ভারত।

(Feed Source: abplive.com)