জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল (Afghanistan’s Kabul)। শহরের শাহর-ই-নও (Shahr-e-Naw) এলাকার একটি রেস্তোরাঁ ছিল এই বিস্ফোরণের টার্গেট। আশ্চর্যের যে, এই শাহর-ই-নও’কেই কাবুলের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গাগুলির একটি বলে মনে করা হত। সেখানেই এই ভয়ংকর বিস্ফোরণ (Deadly Blast)!
কত মৃত্যু?
সোমবারের এই ভয়াল বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। সোমবার বিকেলে হাসপাতালের কাছে শাহর-ই-নও এলাকায় এই বিস্ফোরণ ঘটে। কাবুলের সার্জিক্যাল সেন্টারে ২০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। যাঁদের ভর্তি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সাতজন পৌঁছনর আগেই মারা গিয়েছেন! আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে এক বিস্ফোরণের ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তালেবান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে তারা জানিয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে প্রকাশ করা হবে।
চিনই লক্ষ্য?
চিনের অফিসারদের নিয়ে যাচ্ছিল একটি গাড়ি। সেই গাড়িটিই ছিল হামলাকারীর নিশানায়। ওই ঘটনার মুহূর্তের একটি ভিডিয়ো সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, গাড়িটি একটি গলি রাস্তা ধরে আসছিল, সেই সময়ে ঠিক উলটো দিক থেকে একজন এসে গাড়ির সামনে আত্মঘাতী বোমায় নিজেকে উড়িয়ে দেয়। প্রচণ্ড বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় গাড়িটি। আসেপাশে থাকা বহু মানুষ আহত হন এই ঘটনায়।
BLAST IN KABUL UPDATE
Exclusive footage shows the intensity of the attack carried out by a rival faction inside the Afghan Taliban. Chinese nationals are being deliberately targeted to force their exit from Afghanistan. https://t.co/ssWAUCNh7S pic.twitter.com/HQlMhf5hhS
— Pak-Afghan Matters pakafghanmatter) January 19, 2026
নিরাপদ নয়
সোমবার বিকেলে হাসপাতালের কাছে শাহর-ই-নও এলাকায় এই যে বিস্ফোরণটি ঘটে, কাবুলের সেই শহর-ই-নও এলাকাটি বিদেশি নাগরিকদের আবাসস্থল হিসেবেই মূলত পরিচিত। এবং কাবুলের অন্যতম সুরক্ষিত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত এটি। এবার সেখানেও এই হামলা!
ব্যর্থ প্রতিশ্রুতি?
২০২৫ সালে আফগানিস্তানে দুটি আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। তালিবান দীর্ঘ সময় ধরে সশস্ত্র যুদ্ধের পর ক্ষমতায় এসে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যদিও হামলা এখনো অব্যাহত রয়েছে। প্রতিশ্রুতি হয়তো তারা রাখতে পারেনি। যেসব হামলা সেখানে হয়েছে তার অনেকগুলির দায় স্বীকার করেছে আইএসের স্থানীয় শাখাই।
সক্রিয় ইসলামিক স্টেট
২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর তালিবান ক্ষমতায় এলে কাবুল-সহ পুরো আফগানিস্তানে বিস্ফোরণের ঘটনা আগের চেয়ে অনেকটা কমে এসেছে। তবে আইএস (ইসলামিক স্টেট) এখনও সে দেশে সক্রিয় রয়েছে। এবং মাঝেমধ্যেই তারা এ ধরনের হামলা চালিয়ে থাকে।
(Feed Source: zeenews.com)
