বাংলাদেশে ২০২৪ সালে জুলাই মাসে গণ অভ্যুত্থানের পর দেশ ছেড়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপর থেকেই আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। ভারতে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। এর মাঝেই সামনে এল শেখ হাসিনার একটি অডিও বার্তা।
ভারতে প্রথমবার অডিও বার্তা শেখ হাসিনার
ঢাকা: বাংলাদেশে ২০২৪ সালে জুলাই মাসে গণ অভ্যুত্থানের পর দেশ ছেড়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপর থেকেই আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। ভারতে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। এর মাঝেই সামনে এল শেখ হাসিনার একটি অডিও বার্তা।
‘সেভ ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে দিল্লির ফরেন জার্নালিস্ট সাউথ এশিয়া প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে। সেখানে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত প্রাক্তন মন্ত্রী, থিয়েটার আর্টিস্টরা উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন। সেখানেই শেখ হাসিনার বক্তব্য শোনানো হয়। এই প্রথম ভারতের কোনও সাংবাদিক সম্মেলনে শেখ হাসিনার অডিও বার্তা শোনানো হয়। সামনেই বাংলাদেশে নির্বাচন আর তার আগে এই অডিও বার্তা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
এই অডিও বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, “এক সময়ে স্বাধীনতার যে মন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম , সেই মন্ত্রেই গোটা দেশকে উঠে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।
এই অডিও বার্তায় সরাসরি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুসকে মার্ডারার, ফ্যাসিস্ট বলেও উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ পুরোনো পার্টি। আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে উদ্ধার করতে বদ্ধপরিকর”। শেখ হাসিনা অনলাইনে উপস্থিত থাকলেও কোনও প্রশ্নের জবাব দেবেন না বলে জানানো হয় ওই সাংবাদিক বৈঠকে।
এই অডিও বার্তায় শেখ হাসিনা মোট পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। সেই দাবিগুলি হল- ইউনুস সরকারকে সরিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানান তিনি। একইসঙ্গে হিংসা বন্ধ করার আর্জি জানান তিনি। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের রক্ষা করার বার্তা দেন তিনি।
এই অডিও বার্তায় তিনি জানান, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাংবাদিক এবং বিরোধীদের মুখ বন্ধ করা হচ্ছে এই প্রবণতা বন্ধেরও দাবি জানান তিনি।
বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতার ফেরানোর দাবি জানান হাসিনা। একইসঙ্গে এই অডিও বার্তায় রাষ্ট্রসঙ্ঘকে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করার সুযোগ দেওয়ার আর্জি জানান তিনি।
(Feed Source: news18.com)