Republic Day 2026: এবার প্রজাতন্ত্রের কুচকাওয়াজে অংশ নেবে ভারতীয় সেনার ‘ভৈরব’…

Republic Day 2026: এবার প্রজাতন্ত্রের কুচকাওয়াজে অংশ নেবে ভারতীয় সেনার ‘ভৈরব’…

পিয়ালি মিত্র: ২০২৫ সালের আগস্টে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হয় ভৈরব ব্যাটালিয়ন।  ২৬ জানুয়ারি রেড রোডের কুচকাওয়াজে প্রথমবার অংশ নেবে এই বাহিনী। তারপর এই ভৈরব ব্যাটালিয়নকে ইস্টার্ন কমান্ডে মোতায়েন করা হবে।

অপরাশেন সিঁদুর থেকে স্পষ্ট যে ভারতীয় সেনাবাহিনী ড্রোন যুদ্ধের এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে তৈরি হয় এই ভৈরব বাহিনী। এক লক্ষেরও বেশি ড্রোন অপারেটর, ‘ভৈরব’ বিশেষ বাহিনী মোতায়েন। সেনা সূত্র অনুসারে, ভারতীয় সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই সমগ্র বাহিনী জুড়ে এক লক্ষেরও বেশি প্রশিক্ষিত ড্রোন অপারেটরের একটি শক্তিশালী দল তৈরি করেছে। এই অপারেটররা শুধু ড্রোন ওড়াতেই পারদর্শী নয়, বরং বাস্তব যুদ্ধের পরিস্থিতিতে শত্রুর ঘাঁটি, সৈন্য সমাবেশ এবং কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার প্রশিক্ষণও পেয়েছে। এই আধুনিকীকরণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হল সদ্য গঠিত প্রযুক্তি-নির্ভর বিশেষ বাহিনী, ‘ভৈরব’। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে তৈরি এই বাহিনীকে ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য একটি প্রধান অস্ত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভৈরব বাহিনী কী?

‘ভৈরব’ মূলত উচ্চ-গতির আক্রমণাত্মক এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার জন্য তৈরি একটি ইউনিট। সেনা সূত্র থেকে জানা গেছে যে, এই বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে পদাতিক যুদ্ধ এবং ড্রোন পরিচালনা উভয় ক্ষেত্রেই পারদর্শী হওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, তারা মাটিতে যুদ্ধ করার পাশাপাশি আকাশ থেকে ড্রোন ব্যবহার করে নজরদারি এবং হামলা চালানোর ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে একাধিক ভৈরব ব্যাটালিয়ন উত্তর ও পশ্চিম সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। শত্রুর গতিবিধি, গোপন ঘাঁটি বা সীমান্তে আকস্মিক হামলার হুমকির দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে এই বাহিনী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

(Feed Source: zeenews.com)