
এরপরই বিস্ফোরণের ঘটনা। তাতে অবশ্য বড়সড় কোনও ক্ষতি হয়নি। Airbus A321-র পাশে এক মিটার মতো গর্ত সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বোমাড়ুর। সম্ভবত বিমানের নড়াচড়ার জেরেই বিস্ফোরণ ঘটে যায়। ঘটনার পর মোগাডিশুতে বিমানটির জরুরি অবতরণ করানো হয়। এই হামলার পিছনে দায় স্বীকার করেছে সোমালিয়ার গোষ্ঠী অল-শাবাব।
তাদের বক্তব্য, পশ্চিমের আধিকারিক এবং তুরস্কের NATO বাহিনী ছিল তাদের টার্গেট। বিস্ফোরণের পর অল-শাবাবের তরফে এক বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, সোমালিয়ার মুসলমানদের বিরুদ্ধে পশ্চিমের ধর্মযোদ্ধা এবং তাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির জোট কর্তৃক সংঘটিত অপরাধের প্রতিশোধ হিসেবে হারাকাত অল-শাবাব অল মুজাহিদিন এই বোমা হামলা চালিয়েছে।
Daallo Airlines-এর প্রধান মহম্মদ ইব্রাহিম ইয়াসিন ওলাদ জানিয়েছেন, “বোমাড়ুর মূলত তুরস্ক এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওঠার কথা ছিল, যা বাতিল করা হয়েছিল। ওলাদের মতে, ফ্লাইটে থাকা ৭৪ জন যাত্রীকে প্রথমে তুরস্ক এয়ারলাইন্সে চেক ইন করানো হয়েছিল, যেটা সপ্তাহে তিনবার সফর করে।
তাঁর সংযোজন, “ওরা আমাদের যাত্রী ছিল না। তুরস্ক এয়ারলাইন্স সকালে মোগাদিশু থেকে তাদের ফ্লাইট বাতিল করে। কারণ জিবুতি থেকে আসা ফ্লাইটটি প্রবল বাতাসের কারণে মোগাদিশুতে আসতে পারেনি। তারা অনুরোধ করেছিল যাতে আমরা তাদের যাত্রীদের জিবুতিতে পৌঁছে দিই। যেখানে তারা তুরস্ক এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে চেপে যাত্রা করতে পারবে।
২০১৬ সালের মে মাসে দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করেছিল সোমালিয়ার সামরিক আদালত। কারণ, তারা বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল। খবর অনুযায়ী, এক মহিলা-সহ আরও আট জনের ন্যূনতম ছয় মাস থেকে চার বছর পর্যন্ত জেলের সাজা ঘোষণা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত এ ধরনের ঘটনা দেখা যায়। Plane Incident
(Feed Source: abplive.com)
