‘জুবিনের মৃত্যু তদন্তের দ্রুত নিষ্পত্তি হোক’, এবার প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ সঙ্গীতশিল্পীর পরিবার

‘জুবিনের মৃত্যু তদন্তের দ্রুত নিষ্পত্তি হোক’, এবার প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ সঙ্গীতশিল্পীর পরিবার

কলকাতা: কীভাবে মারা গিয়েছিলেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী জুবিন গর্গ (Zubeen Garg)? এ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়ে গিয়েছে অনুরাগীদের মধ্যে। অনুরাগী থেকে শুরু করে, সঙ্গীতশিল্পীর পরিবার পর্যন্ত এখনও মানতে নারাজ যে, জুবিন গর্গের মৃত্যু ছিল স্বাভাবিক। সদ্য SIT-র তরফ থেকে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে দাবি করা হয়েছে, মৃত্যুর আগে অতিরিক্ত মদ্যপান করেছিলেন জুবিন। সেই মদ্যপ অবস্থাতেই তিনি জলে নেমেছিলেন। আর এবার, জুবিন গর্গের মৃত্যুর আসল কারণ অনুসন্ধানে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi)-র দ্বারস্থ হল সঙ্গীতশিল্পীর পরিবার।

জুবিনের পরিবারের এবার এই ঘটনায় দ্বারস্থ হল প্রধানমমন্ত্রীর। তাঁদের অভিযোগ, এই মামলার দ্রুত শুনানি চাই। জুবিনের মৃত্যু যে একেবারে স্বাভাবিকভাবে হয়নি। সেই কথা এখনও অনেকেই বিশ্বাস করেন। অনেকেই মনে করেন জুবিনকে হত্যা করা হয়েছে। এই মামলায়, সম্প্রতি SIT -একটি রিপোর্ট জমা করলে, সেখানে দেখা যায়, জুবিন জলে নামার আগে প্রচুর পরিমাণে মদ খেয়েছিলেন। সেই কারণেই তিনি জলে নেমে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই ঘটনায়, মোদিকে চিঠি লিখেছেন প্রয়াত গায়কের পরিবার। জুবিন গর্গের পরিবারের আর্জি, তদন্তে গতি আসুক।

অসমে জুবিনের অনুরাগী প্রচুর মানুষ। অনেকেই তাঁকে রোল মডেল বলে মনে করেন। অসমবাসীর কাছে, জুবিন নামটারই একটি আলাদা মাহাত্ম্য হয়েছে। সেই কারণেই, তাঁদের প্রিয় মানুষটির কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল তা জানতে চাই পরিবার ও অনুরাগীরাও। এই সমস্ত মর্মে, এদিন জুবিনের পরিবার থেকে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লেখা হয়। সেখানে আবেদন করা হয়, গতি পাক তদন্ত। পাশাপাশি, এই তদন্তে স্বচ্ছতা বজায় রাখার বিষয়টির ওপরেও জোর দেওয়া হয়েছে।

চিঠিটি লেখা হয়েছে গায়কের স্ত্রী গরিমা শঈকীয়া, বোন পালমী বরঠাকুর ও কাকু মনোজ বরঠাকুরের তরফ থেকে লেখা হয়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, কেবল জুবিনের পরিবার নয়, অগুনতি মানুষ আশা করে চেয়ে রয়েছেন জুবিনের সুবিচারের আসায়। তাঁদের মতো সমস্ত মানুষদের জন্যই, খুবর দরকার জুবিনের মৃত্যুরহস্যের সমাধান হওয়া। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুর পুলিশ তাদের দেশের আদালতে জানিয়েছে যে, ঘটনার দিন জুবিন গর্গে ল্যাজারুস দ্বীপের কাছে জলে নেমেছিলেন লাইফ জ্যাকেট ছাড়া এবং ডুবে যান। আইনত একজনের শরীরে যতটা অ্যালকোহল থাকার কথা, সেই মাত্রার তুলনায় অন্তত চারগুণ বেশি অ্যালকোহল ছিল গায়কের শরীরে। এর পাশাপাশি জুবিনের শরীরে হাইপারটেনশন এবং এপিলেপসি অর্থাৎ উচ্চ রক্ত চাপ এবং মৃগীর ওষুধের সন্ধানও পাওয়া গিয়েছিল টক্সিকোলজি পরীক্ষার রিপোর্টে। কিন্তু আর কোনও ওষুধের হদিশ পাওয়া যায়নি।

(Feed Source: abplive.com)