Bangladesh Journalists Denied T20 World Cup 2026 Access: বিশ্বকাপে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের নো এন্ট্রি! ICC-র গণপ্রত্যাখ্যানে উত্তাল পদ্মাপার, ১৫০ অ্যাক্রেডিটেশন ‘রিজেক্ট’!

Bangladesh Journalists Denied T20 World Cup 2026 Access: বিশ্বকাপে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের নো এন্ট্রি! ICC-র গণপ্রত্যাখ্যানে উত্তাল পদ্মাপার, ১৫০ অ্যাক্রেডিটেশন ‘রিজেক্ট’!

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভারতে বিশ্বকাপ খেলা একেবারেই নিরাপদ নয়! একগুঁয়ে অবস্থানে অনড় থাকায় বাংলাদেশকে স্টেপআউট করে বিশ্বকাপের বাইরে পাঠিয়েছে আইসিসি (ICC)। পদ্মাপারের দেশকে সরিয়ে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা স্কটল্যান্ডকে ঢুকিয়ে দিয়েছে বিশ্বকাপে। এখন একাধিক বাংলাদেশি মিডিয়া জানাচ্ছে যে, বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা তাদের কাপযুদ্ধের অ্যাক্রেডিটেশনের আবেদন (বিশ্বকাপ কভারের ছাড়পত্র দিয়ে সাংবাদিককে দেওয়া আইসিসি-র মিডিয়া কার্ড) প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর না করার আইসিসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ায়, তাদের সাংবাদিকদেরও ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত-শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে চলা বিশ্বকাপে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

কী বলছেন বাংলাদেশের সাংবাদিকরা?

দ্য ডেইলি স্টারের খবর অনুযায়ী, বিসিবি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেইন এই খবর নিশ্চিত করেছেন এবং তিনি দাবি করেছেন যে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশ থেকে ১৩০ থেকে ১৫০ জন সাংবাদিক অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য আবেদন করেছিলেন। তার ধারণা আইসিসি তাদের সকলেরই অ্যাক্রেডিটেশনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। আমজাদের সংযোজন, ‘যতদূর জানি, সব বাংলাদেশি সাংবাদিককেই প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বিশ্বকাপে। এই বছর প্রায় ১৩০ থেকে ১৫০ জন সাংবাদিক আবেদন করেছিলেন বিশ্বকাপ কভার করতে চেয়ে। কিন্তু কাউকেই অনুমোদন দেওয়া হয়নি।’ আরও দাবি করা হয়েছে যে, ২০ ও ২১ জানুয়ারি অনুমোদন পাওয়া কিছু ফটোসাংবাদিকের স্বীকৃতি এখন বাতিল করা হয়েছে। প্রতিবেদনে সাংবাদিক মীর ফরিদকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘আমি ২০ জানুয়ারি আইসিসি মিডিয়া বিভাগ থেকে একটি অনুমোদনের ইমেল পেয়েছিলাম, যার সঙ্গে একটি ভিসা সহায়তা পত্রও ছিল। কিন্তু আজ আমি আরেকটি ইমেল পেয়েছি যেখানে বলা হয়েছে যে আমার আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।’

১৯৯৯ সাল থেকে আইসিসি ইভেন্টে বাংলাদে

বাংলাদেশ সেই ১৯৯৯ সাল থেকে আইসিসি ইভেন্টে অংশ নিচ্ছে। জানা যাচ্ছে যে সেই দেশের সাংবাদিকরা তারও আগে থেকে এই ধরনের টুর্নামেন্ট কভার করে আসছেন। ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ কভার করা বাংলাদেশি সাংবাদিক আরিফুর রহমান বাবু দাবি করেছেন যে তাঁকেও অ্যাক্রেডিটেশন দেওয়া হয়নি। আরিফুর বলেন, ‘কোনও দল না খেললেও আইসিসির সহযোগী সদস্য দেশের সাংবাদিকরা অ্যাক্রেডিটেশন পেতে পারেন। সবাইকে কেন প্রত্যাখ্যান করা হল! তার কোনও কারণ আমি খুঁজে পাচ্ছি না। আমি বিস্মিত, এবং আমি এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি।’ বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসজেএ) সভাপতি আরিফুর আরও জানান যে, পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তিনি বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) এবং বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস কমিউনিটির (বিএসজেসি) সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনা করছেন। ‘

কী বলছে আইসিসি?

বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ফতোয়ার প্রসঙ্গে এক সর্বভারতীয় মিডিয়া, আইসিসি-র এক কর্তার সঙ্গে কথা বলেছে। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকারের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে এই অবস্থান নেওয়া হয়েছে, যেখানে বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ভারত ভ্রমণের জন্য ‘অনিরাপদ’ বলা হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আইসিসি-র কর্তা বলেছেন, ‘তাদের ভিসা বা স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, কারণ সরকার ক্রমাগত বলে আসছিল যে ভারতে আসা নিরাপদ নয়।’ বোঝাই যাচ্ছে আইসিসি- আর এই ইঞ্চিও জমি দিতে রাজি নয় বাংলাদেশকে।

(Feed Source: zeenews.com)