বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন ভারসাম্য: ব্রিটেন-চীন, ভারত-কানাডা এবং ব্রাজিলের সক্রিয় কূটনীতি

বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন ভারসাম্য: ব্রিটেন-চীন, ভারত-কানাডা এবং ব্রাজিলের সক্রিয় কূটনীতি

বৈশ্বিক কূটনীতি একটি নতুন ভারসাম্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিবেশের মধ্যে, অনেক বড় দেশ তাদের পুরানো সম্পর্ক মেরামত করতে এবং নতুন অংশীদার খুঁজতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চীনের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন, যেখানে তিনি বেইজিং এবং সাংহাইয়ের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে দেখা করবেন। এই সফরটি হবে গত আট বছরে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর চীনে প্রথম সফর এবং এটিকে লন্ডন-বেইজিং সম্পর্কের সংলাপ পুনর্নবীকরণের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আমরা আপনাকে বলি যে স্টারমারের সাথে অনেক বড় শিল্পপতি এবং দুই সিনিয়র মন্ত্রীও জড়িত থাকবেন, যারা বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং সরবরাহ চেইন সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন।
এই প্রেক্ষাপটে আরেকটি পূর্ব-পশ্চিম সমীকরণের উদ্ভব হচ্ছে বলে মনে হয়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মার্চ মাসে ভারত সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যেখানে ভারত-কানাডা বাণিজ্য দ্রুত সম্প্রসারণের দিকে মনোযোগ দেওয়া হবে। উল্লেখযোগ্য যে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও উভয় দেশই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এই পরিবর্তিত পরিস্থিতির পটভূমিতে, ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সাম্প্রতিক স্বাক্ষর, যা প্রায় দুই বিলিয়ন জনসংখ্যার একটি বাজারকে সংযুক্ত করে, গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা 19 থেকে 21 ফেব্রুয়ারির মধ্যে ভারত সফরে যাচ্ছেন। আসুন আমরা আপনাকে বলি যে তার সাথে একটি বড় উচ্চ-স্তরের প্রতিনিধিদল থাকবে এবং ভারতীয় শিল্পের সাথে যোগাযোগ করার জন্য 500 আসন সহ একটি অডিটোরিয়ামও বুক করা হয়েছে।
এটি লক্ষণীয় যে এই সমস্ত কূটনৈতিক কার্যকলাপের পিছনে একটি সাধারণ কারণ উদ্ভূত হচ্ছে, এবং তা হল বিশ্ব বাণিজ্যে ঝুঁকি হ্রাস এবং বিকল্পগুলিকে বৈচিত্র্যময় করার প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে আমেরিকার সুরক্ষাবাদী নীতি এবং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক হুমকি অনেক দেশকে নতুন অংশীদার খুঁজতে বাধ্য করেছে।
চীনের দিকে ব্রিটেনের ঝোঁকও এই কৌশলের একটি অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। স্টারমারের সফর শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক নয়, একটি অর্থনৈতিক বার্তাও দেয়, যেখানে এটি একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত যে দেশগুলি পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে একে অপরের উপর তাদের নির্ভরতা ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
(Feed Source: prabhasakshi.com)