
অন্য একজন পাইলটের বুধবার অজিত পাওয়ারের প্রাইভেট জেট উড়িয়ে নির্বাচনী প্রচারের জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল বারামতীতে। কিন্তু ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে পড়েছিলেন ওই পাইলট। তাঁর পরিবর্তেই বুধবার অজিত পাওয়ারকে নিয়ে বারামতীর দিকে প্রাইভেট জেট উড়িয়ে রওনা দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর। ক্যাপ্টেনের বন্ধুরা এও জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগেই হংকং থেকে ফিরেছিলেন তিনি। বুধবার যে অজিত পাওয়ারের প্রাইভেট জেট তাঁকেই ওড়াতে হবে, যেতে হবে বারামতী, সেই নির্দেশ পান ওই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটার হাতেগোনা মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে।
বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ মুম্বই থেকে বারামতীর দিকে রওনা দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেম সুমিত কাপুর। Learjet 45 প্রাইভেট জেট উড়িয়েছিলেন ক্যাপ্টেন। দিল্লির সংস্থা VSR Ventures এই বিমানের যাবতীয় ব্যাপার দেখভাল করে। উড়ানের কিছুক্ষণ পরেই (৪৫ মিনিট) ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বারামতী বিমানবন্দরের কাছে ভেঙে পড়ে ওই Learjet 45 প্রাইভেট জেটটি। বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণের জন্য দ্বিতীয়বার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ভয়ঙ্কর এই বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ার, ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর, কো-পাইলট ক্যাপ্টেম সম্ভাবী পাঠক, ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট পিঙ্কি মালি এবং অজিত পাওয়ারের নিরাপত্তারক্ষী বিদিপ যাদব, সকলেরই মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার দিন অর্থাৎ বুধবার সকালে ঘন কুয়াশা ছিল পুণের কাছে বারামতীতে। প্রবল কুয়াশার দাপটে দৃশ্যমানতাও কম ছিল। অনুমান করা হচ্ছে, এই খারাপ আবহাওয়া দুর্ঘটনার একটি কারণ হতে পারে। কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে, ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুরের বন্ধুরা জানিয়েছেন, তিনি অত্যন্ত দক্ষ পাইলট ছিলেন। বিমান ওড়ানোই ছিল তাঁর সবচেয়ে প্রিয় কাজ। তাই তাঁর কোনও ত্রুটিতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মানতে নারাজ পাইলটের বন্ধুরা।
(Feed Source: abplive.com)
