Mother killed Children: ৫, ৪, ২– OTP নয়, বয়স! তিন খুদেকে মেরে টাঙিয়ে ডিজেল খেলেন যুবতী রূপা, কিন্তু…

Mother killed Children: ৫, ৪, ২– OTP নয়, বয়স! তিন খুদেকে মেরে টাঙিয়ে ডিজেল খেলেন যুবতী রূপা, কিন্তু…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এরকম মাও হয়! পেটের তিন ফুটফুট সন্তানদের মেরে ঝুলিয়ে দিল জন্মদাত্রী। তারপর নিজে ডিজেল খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। ঘটনাটি কর্ণাটকের বাগলকোট জেলার। জানা গিয়েছে, ২৭ বছরের রূপা হনুমন্ত গৌড় বর্তমানে চিকিত্‍সাধীন। মৃত তার তিন সন্তান- সমরুদ্ধি (৫), প্রীথম (৪), সুকশিথ(২)। তিনজনকেই তাদের বাড়ি থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

বাগলকোটের পুলিস সুপার সিদ্ধার্থ গোয়েলে জানিয়েছেন,  রবিবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১:৩০ টার মধ্যে ঘটে। এই সময় বাচ্চাদের নিয়ে রুপা বাড়িতেই ছিল। তার স্বামী হনুমন্ত বাইরে ছিলেন। হনুমন্ত নিজের মাকে সকাল ১০টার সময় মন্দিরে ছাড়েন। তারপর কাজে চলে যান। দুপুর ২:০০ টার দিকে ফিরে এসে দেখেন ঘরটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ।

স্থানীয়দের সাহায্যে তিনি দরজাটি খোলেন। পুলিস জানিয়েছে যে ততক্ষণে তিনটি শিশুই মারা গেছে এবং রূপাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে বাগলকোটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিস জানিয়েছে যে তার অবস্থা গুরুতর, এবং স্থিতিশীল হলেই তার বক্তব্য রেকর্ড করা হবে।

পুলিসের প্রাথমিক ধারণা, স্বামী এবং শাশুড়ির অত্যাচারের জেরেই রুপা এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়। পুলিস আরও জানিয়েছে, রুপা ও স্বামী আট বছর ধরে বিবাহিত। ঘটনার আগের দিন রাতে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পুলিস বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তদন্ত করছে এবং তারা সকল দিক থেকেই তদন্ত করছে যাতে জানা যায় কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে হায়দরাবাদের ৩৮ বছরের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার পি বিজয়া নিজের দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে আত্মহত্যা করেন। জানা যায়, চলন্ত ট্রেনের সামনে দুই ছেলেমেয়ে- ১৮ বছরের চেতন রেড্ডি এংব ১৭ বছরের বিশাল রেড্ডিকে নিয়ে ঝাঁপ দেন বিজয়া।

পুলিস রেলওয়ে স্টেশনের কাছে বিজয়ার পার্ক করা গাড়ি উদ্ধার করে। এবং সেখান থেকে একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া যায়। পুলিসের প্রাথমিক ধারণা যে, ওই নোট বিজয়ারই লেখা। নোটে লেখা, বিজয়া তাঁর মাকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন,’আমি অনেক চেষ্টা করেও আমার জীবনকে গোছাতে পারলাম না। আমি সন্তানদের ছেড়ে থাকতে পারব না, তাই ওদেরও সঙ্গে নিয়ে চলে যাচ্ছি। এই সিদ্ধান্তের জন্য কেউ দায়ী নয়।’

পুলিস আরও জানিয়েছে, বিজয়া হাই-টেক সিটির কাছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। তিনি পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। তাঁর সন্তানরা ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র-ছাত্রী ছিল। বিজয়ার স্বামী সুরেন্দ্র রেডি, যিনি দুবাই-এর একটি কোম্পানিতে কাজ করেন, তিনি এই খবর শুনে দ্রুত হায়দরাবাদে ফিরে আসেন।

আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ…
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭
২৪x৭ টোল-ফ্রি মানসিক স্বাস্থ্য পুনর্বাসন হেল্পলাইন– কিরণ (১৮০০-৫৯৯-০০১৯)

(Feed Source: zeenews.com)