
February: এ বছর লিপিইয়ার নয়৷ সুতরাং ফেব্রুয়ারি সেই ২৮ দিনেই হবে৷ তা হলে হঠ্যৎ এ বছরের ফ্রেব্রুয়ারি মাস নিয়ে কেন শুরু হয়েছে এত মাতামাতি? এই রহস্য উদ্ঘাটন করতে চোখ রাখতে হবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির ক্যালেন্ডারে৷
দিনের হিসেবে বাকি সমস্ত মাসের চেয়ে ছোট ফেব্রুয়ারি৷ বাকি সকলের ভাগে ৩০ কিংবা ৩১ পড়লেও ২৮ টি দিন নিয়েই খুশি থাকতে হয় ফেব্রুয়ারিকে৷ লিপিয়ারের দাক্ষিণ্যে কালেভদ্রে জোটে একটি করে ‘এক্সট্রা’, তখন ২৯৷ কিন্তু স্বল্প দিনের হলেও ফেব্রুয়ারির কদর মোটেই অল্প নয়৷
ফেব্রুয়ারি প্রেমের মাস৷ শীতের শুষ্কতা কাটিতে এ মাস থেকেই বাতাসে, মনে উঁকি দেয় বসন্ত৷ ভ্যালেন্টাইনস ডে নিয়ে প্রেমিক প্রেমিকাদের পছন্দের মাস ফেব্রুয়ারি৷ কিন্তু ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি নিয়ে হঠ্যৎ করেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে মাতামাতি৷ তার কারণ যদিও প্রেমের মাস বলে নয় মোটেই৷
এ বছর লিপিইয়ার নয়৷ সুতরাং ফেব্রুয়ারি সেই ২৮ দিনেই হবে৷ তা হলে হঠ্যৎ এ বছরের ফ্রেব্রুয়ারি মাস নিয়ে কেন শুরু হয়েছে এত মাতামাতি? এই রহস্য ঘাঁটতে চোখ রাখতে হবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির ক্যালেন্ডারে৷
নন-লিপ ইয়ার হলে এই মাসে থাকে ঠিক ২৮ দিন, যা চারটি পূর্ণ সপ্তাহের সমান। কোনও মাসকে ‘পারফেক্ট ফেব্রুয়ারি’ বলা হয় তখনই, যখন মাসটির ২৮ দিন সপ্তাহের সাতটি দিনের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
অর্থাৎ, পুরো মাসটি শেষ হয় ঠিক চার সপ্তাহে এবং সপ্তাহের প্রতিটি দিন—সোমবার থেকে রবিবার—ঠিক চারবার করে আসে। কোনও দিনই পঞ্চম সপ্তাহে পড়ে না।
এ কারণেই অনেকেই ফেব্রুয়ারিকে বলছেন ‘পারফেক্ট রেক্ট্যাঙ্গুলার মান্থ’। চলতি বছরে ফেব্রুয়ারি এক বিরল সংযোগ তৈরি করেছে। মাসটির শুরু হচ্ছে রবিবার দিয়ে এবং শেষ হচ্ছে ২৮ ফেব্রুয়ারি, যা পড়ছে শনিবারে।
যেহেতু ২০২৬ সাল লিপ ইয়ার নয়, তাই ফেব্রুয়ারিতে রয়েছে মোট ২৮ দিন। ফলে এই মাসটি গঠন করেছে ঠিক চার সপ্তাহের একটি নিখুঁত আয়তকার কাঠামো। অর্থাৎ, সোমবার থেকে রবিবার—প্রতিটি দিনই এসেছে ঠিক চারবার করে।
এই ধারণা নতুন মনে হলেও এর আগেও এমন ‘পারফেক্ট ফেব্রুয়ারি’ দেখা গিয়েছে। গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এমন সংযোগ তখনই তৈরি হয়, যখন কোনও সাধারণ বছর বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়। সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন পড়ে রবিবারে।
এর আগে ২০১৫ সালে এমন পারফেক্ট ফেব্রুয়ারি দেখা গিয়েছিল, যখন ২৮ দিন রবিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আগামীবার এই সংযোগ তৈরি হবে ২০৩৭ সালে। অর্থাৎ, এমন দৃশ্য দেখতে প্রায় ১১ বছর অপেক্ষা করতে হয়।
ক্যালেন্ডার নিয়ে আগ্রহী মানুষদের মতে, এমন নিখুঁত সিমেট্রি খুব ঘনঘন দেখা যায় না। পরিষ্কার ও গোছানো জিনিস পছন্দ করা ব্যবহারকারীদের কাছে এই ক্যালেন্ডার যেন এক ধরনের ‘ভিজ্যুয়াল ট্রিট’। ফেব্রুয়ারির তারিখগুলোর বিন্যাস একটি পরিপূর্ণ আয়তক্ষেত্র বা রেক্ট্যাঙ্গুলার আকার তৈরি করেছে, যা এর আকর্ষণ আরও বাড়িয়েছে।
ক্যালেন্ডারের প্রথম সারিতে ১ থেকে ৭ এবং শেষ সারিতে ২২ থেকে ২৮—দুটোই পুরোপুরি পূর্ণ। এই বিরলতা, দৃশ্যগত ভারসাম্য এবং হালকা-ফুলকা ইন্টারনেট রসবোধের মেলবন্ধনই ‘পারফেক্ট ফেব্রুয়ারি ২০২৬’-কে সামাজিক মাধ্যমে এতটা আলোচনায় এনে দিয়েছে
(Feed Source: news18.com)
