India’s GDP: বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে পিছনে ফেলে দিল ভারত, বড় কথা বলে দিলেন ইলন মাস্ক

India’s GDP: বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে পিছনে ফেলে দিল ভারত, বড় কথা বলে দিলেন ইলন মাস্ক

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইন্টারন্যাশনাল মনিটারি ফান্ডের (IMF) একটি রিপোর্ট তুলে ধরে’ওয়ার্ল্ড অফ স্ট্যাটিস্টিকস’ গত শনিবার একটি তথ্য প্রকাশ করেছে। যেখানে জানানো হয়েছে যে বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধিতে (Global Economic Growth) অবদানের ক্ষেত্রে ভারত এখন যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। আর তার পরেই ট্রাম্পকে খোঁচা দিয়েছেন স্পেস এক্সের প্রধান ইলন মাস্ক। ওই খবর শেয়ার করে মাস্ক লিখেছেন, বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্যের বদল হচ্ছে।

আইএমএফের পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধিতে ভারতের অবদান ১৭ শতাংশ। আমেরিকা সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে ৯.৯ শতাংশে। অন্যদিকে চিন সেই জায়গায় ২৬.৬ শতাংশের ভাগীদার। অর্থাত্ এশিয়ার দুটি দেশই বিশ্বের আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে ৪৩.৬ শতাংশের ভাগীদার।

উল্লেখ্য, মাস্ক ভারতের উপরে নজর রেখে চলেছেন। গত কয়েক মাসে দুবার তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে কথা বলেছেন। সূত্রের খবর, ভারতে তার কারখানা তৈরি জন্য উপযুক্ত জায়গা তিনি খুঁজছেন।

২০২৬ সালের বাজেটের ওপর আয়োজিত ‘ইয়ুথ ডায়ালগ’ অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ইলন মাস্কের ওই পোস্ট নিয়ে মন্তব্য করেন। নির্মলা বলেন, মাস্ক আইএমএফ-এর তথ্য উল্লেখ করে বলেন, আদৌ কি মাস্কের মন্তব্য সত্যি! বর্তমানে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে চীনের অবদান ২৬% এবং ভারতের অবদান ১৭%; অর্থাৎ বিশ্বের মোট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ৪৩ শতাংশই আসছে এই দুটি দেশ থেকে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ভারতের বিরোধী দলগুলোরও বোঝা উচিত যে দেশ এখন কতটা শক্তিশালী। চিনের পরেই এখন আমাদের অবস্থান। যদিও ২৬ এবং ১৭ শতাংশের মধ্যে ব্যবধানটা বেশ বড়, তবে আমরা দ্রুতই এই দূরত্ব কমিয়ে ফেলব।

আইএমএফ (IMF)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ৩.৩ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩.২ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা ২০২৫ সালের অক্টোবরের অনুমানের চেয়ে কিছুটা বেশি। এই ইতিবাচক পরিবর্তনের পেছনে শক্তিশালী প্রযুক্তি বিনিয়োগ, সরকারের আর্থিক সহায়তা, সহজ ঋণ সুবিধা এবং বেসরকারি খাতের দৃঢ়তাকে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়গুলো মূলত বাণিজ্যিক নীতি পরিবর্তনের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে।

বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতি বা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে কিছুটা সময় নেবে। তবে প্রযুক্তিনির্ভর প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার মতো কিছু ঝুঁকিও রয়ে গেছে।

ভারতের ক্ষেত্রে, ২০২৫ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ০.৭ শতাংশ বাড়িয়ে ৭.৩ শতাংশ করা হয়েছে, কারণ বছরের শেষদিকের মাসগুলোতে দেশের অর্থনৈতিক গতি ছিল প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। তবে সাময়িক প্রভাবগুলো কমে আসায় ২০২৬ ও ২০২৭ সালে এই প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কমে ৬.৪ শতাংশে নামতে পারে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, চীনের মুদ্রাস্ফীতি ধীরে ধীরে বাড়বে, অন্যদিকে খাদ্যের দাম কম থাকায় ২০২৫ সালে বড় পতনের পর ভারতে মুদ্রাস্ফীতি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।

(Feed Source: zeenews.com)