
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অন্তত ১২ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে গেল (12 people killed in Russian drone attack)। একটি বাসে যাচ্ছিলেন খনিকর্মীরা। তখনই এই আক্রমণ নেমে আসে। সেখানকার মিনিস্টার অফ এনার্জি ডেনিস শিমহ্যাল (Minister of Energy Denys Shmyhal) টেলিগ্রামে একটি পোস্ট করে জানিয়েছেন, শত্রুদেশের এক ভয়াবহ আক্রমণ নেমে এসেছে এনার্জি সেক্টরে।
১২ জন নিহত এবং
ওই সন্ত্রাসবাদী হামলার ফলে ১২ জন খনি শ্রমিক নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিস জানিয়েছে, তেরনিভকা শহরে এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে। স্টেট ইমার্জেন্সি সার্ভিসের পোস্ট করা ভিডিয়ো ফুটেজে দেখা গিয়েছে, জানালার কাচ ভাঙা একটি ভস্মীভূত বাস রাস্তা থেকে ছিটকে পড়ে আছে।
নির্লজ্জ রুশ হামলা
জ্বালানি সংস্থা ডিটিইকে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহত ও আহতরা তাদেরই কর্মী ছিলেন। কাজ শেষে তাঁরা বাড়ি ফিরছিলেন। এর আগে রবিবার স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর জাপোরিঝিয়ার একটি প্রসূতি হাসপাতাল এবং একটি আবাসিক ভবনেও রুশরা হামলা চালিয়েছিল। সেই হামলায় অন্তত নয়জন আহত হয়েছেন।
ট্রাম্পের বক্তব্যের জেরেই?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বক্তব্যের কয়েকদিন পরেই এই হামলাগুলি চালানো হল। ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং অন্যান্য শহরগুলিতে সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছেন। মূলত হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে ইউক্রেনীয়দের চরম দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত।
ত্রিপক্ষীয় আলোচনা
এ কথা ঠিক যে, ক্রেমলিন গত শুক্রবার নিশ্চিত করেছে, তারা রবিবার পর্যন্ত কিয়েভে হামলা স্থগিত রাখতে রাজি। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনো তথ্য তারা প্রকাশ করেনি। গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাজধানী আবুধাবিতে রাশিয়ান এবং ইউক্রেনীয় পক্ষ আমেরিকার সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় বসেছিল। প্রায় চার বছর ধরে চলা এই যুদ্ধ বন্ধে আমেরিকার অব্যাহত চাপের মুখে চলতি মাসেই তাদের দ্বিতীয় দফা বৈঠকেও বসার কথা রয়েছে। কিন্তু তার আগেই, এই ঘটনা।
(Feed Source: zeenews.com)
