Momo Love Costs Rs 85 Lakhs: বাড়ির গয়না বিক্রি করে মোমো খেল নাবালক! দাম হল ৮৫ লক্ষ টাকা, গ্রেফতার ২, এক পলাতক

Momo Love Costs Rs 85 Lakhs: বাড়ির গয়না বিক্রি করে মোমো খেল নাবালক! দাম হল ৮৫ লক্ষ টাকা, গ্রেফতার ২, এক পলাতক

ছাত্রটির নিয়মিত মোমো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে এবং স্টল পরিচালনাকারীরা প্রথমে তাকে নগদ টাকার বিনিময়ে মোমো বিক্রি করত। টাকা ফুরিয়ে যাওয়ার পর তারা তাকে বাড়ি থেকে গয়না আনা এবং বিনিময়ে রোজ মোমো দেওয়ার লোভ দেখায় বলে অভিযোগ।

নিঃসন্দেহে এখন দেশের প্রতি কোণে এর চাহিদা বাঁধভাঙা। এক প্লেট গরম মোমো, সে স্টিমড হোক বা ফ্রায়েড, সঙ্গে এক বাটি গরম স্যুপ, পেট ভরানোর পক্ষে যথেষ্ট, স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি করা হলে পুষ্টিকরও বটে! পেট এতে ভরে বটে, তবে মন ভরে না। এক প্লেটে আর কটাই বা মোমো থাকে, বড়জোর ৬টা! তার জন্যই স্টল ভেদে পকেট থেকে বেরিয়ে যায় ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা। এ তো গেল স্ট্রিট মোমোর দামের হিসেব। বড় কোনও ব্র্যান্ড চেন হলে খরচ আরও বেশি, মোমোপ্রেমী মাত্রই সে কথা বিলক্ষণ জানেন। (Photo-AI)

Momo Love Costs Rs 85 Lakhs: বাড়ির গয়না বিক্রি করে মোমো খেল নাবালক! দাম হল ৮৫ লক্ষ টাকা, গ্রেফতার ২, এক পলাতক

অতএব, মোমো খাওয়ার চাহিদা কখনই প্রায় নিবৃত্ত হয় না। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের এক স্কুলছাত্রের ঘটনা বিষয়টিকে এমন ভয়ানক দিকে নিয়ে গিয়েছে যে পরিবার, পুলিশ থেকে শুরু করে সকলেই হতবাক! স্ট্রিট মোমো রোজ খাওয়ার লোভে বাড়ির গয়না এনে তুলে দিচ্ছে বিক্রেতাদের হাতে এক নাবালক- এমনটা কে কবেই বা কল্পনা করতে পারে

এই ঘটনার সবটাই শুরু হয়েছিল সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রের মোমোর প্রতি আকাঙ্ক্ষা থেকে! না কি মাত্রাতিরিক্ত লোভ বলাটাই উচিত হবে? প্রাথমিক দৃষ্টিতে যা একটি নিরীহ তাড়না বলে মনে হয়, সেটাই অপ্রত্যাশিতভাবে এমন এক ঘটনার জন্ম দিয়েছে যা কেউ বুঝে উঠতে পারেননি, অন্তত নাবালকের পরিবারের সদস্যরা তো নয়ই!

বলা হচ্ছে যে, রোজ স্ট্রিট মোমো খেতে দেওয়ার বিনিময়ে ছাত্রটিকে তার বাড়ির প্রায় ৮৫ লক্ষ টাকার গয়না তিন যুবকের কাছে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করা হয়েছিল। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলায়।

রবিবার রামৌর কারখানা থানা এলাকার ভগবানপুর তিওয়ারি গ্রামে যখন ছেলেটির পিসি বাপের বাড়িতে এসে তাঁর গয়না চেয়েছিলেন, তখনই পরিবারটি অবাক হয়ে যায়, তারা জানতে পারে বাড়িতে সযত্নে রাখা গয়নার একটাও আর পড়ে নেই।জিজ্ঞাসাবাদের সময় নাবালকটি জানায় যে সে দেওরিয়া-কাশ্য সড়কের ডুমরি চৌরাহায় একটি মোমো স্টল পরিচালনাকারী যুবকদের কাছে গয়নাগুলি দিয়েছিল।

পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ছাত্রটির নিয়মিত মোমো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে এবং স্টল পরিচালনাকারীরা প্রথমে তাকে নগদ টাকার বিনিময়ে মোমো বিক্রি করত। টাকা ফুরিয়ে যাওয়ার পর তারা তাকে বাড়ি থেকে গয়না আনা এবং বিনিময়ে রোজ মোমো দেওয়ার লোভ দেখায় বলে অভিযোগ।

এর পর ওই স্কুলছাত্র বাড়ির আলমারি থেকে সোনার গয়না এনে যুবকদের হাতে তুলে দেয়। পরিবার যখন এই গয়না হারানোর বিষয়টি জানতে পারে, তখন শিশুটির বাবা, যিনি বারাণসীর একজন মন্দিরের পুরোহিত, রামপুর কারখানা থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ধারা ৩০৫-এর অধীনে তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন।দুই অভিযুক্ত, একজন যুবক এবং একজন মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং কিছু গয়না উদ্ধারও করা গিয়েছে। একজন অভিযুক্ত এখনও পলাতক, তার খোঁজ চলছে

(Feed Source: news18.com)