Ghaziabad Sister Deaths: গাজিয়াবাদে বহুতল থেকে পড়ে তিন বোনের মৃত্যু! আসল রহস্য লুকিয়ে বাবার মধ্যে? যা তথ্য সামনে এল, শুনে শিউরে উঠবেন

Ghaziabad Sister Deaths: গাজিয়াবাদে বহুতল থেকে পড়ে তিন বোনের মৃত্যু! আসল রহস্য লুকিয়ে বাবার মধ্যে? যা তথ্য সামনে এল, শুনে শিউরে উঠবেন

Ghaziabad Sister Deaths: তদন্তে জানা গিয়েছে, দুই স্ত্রী থাকা অবস্থাতেই চেতন কুমার অন্য এক নারীর সঙ্গে ‘লিভ–ইন’ সম্পর্কে ছিলেন।

ভয়ঙ্কর ঘটনা গাজিয়াবাদে

গাজিয়াবাদ: গাজিয়াবাদে বহুতল ভবনের ৯ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে তিন বোনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। দেখা গেছে, ওই তিন শিশুর বাবা চেতন কুমারের সঙ্গে ২০১৫ সালের আরেকটি আত্মহত্যার ঘটনার যোগসূত্র আছে। ফলে তিন বোনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত নতুন মোড় পেয়েছে।

তদন্তে জানা গিয়েছে, দুই স্ত্রী থাকা অবস্থাতেই চেতন কুমার অন্য এক নারীর সঙ্গে ‘লিভ–ইন’ সম্পর্কে ছিলেন। ২০১৫ সালে সেই নারী সাহিবাবাদ এলাকার রাজেন্দ্র নগর কলোনির একটি ফ্ল্যাটের ছাদ থেকে পড়ে মারা যান। পরে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে সাব্যস্ত করা হয় এবং এই সংক্রান্ত মামলার বিচারকাজ বন্ধ হয়ে যায়। পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উপপুলিশ কমিশনার নিমিষ প্যাটেল এই তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশ মনে করছে, এই ঘটনাও এখন গাজিয়াবাদে তিন কন্যাশিশুর আত্মহত্যা তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, এর মধ্য দিয়ে ওই শিশুদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে জানার চেষ্টা চলছে। ওই তিন বোনের নাম পাখি (১২), প্রাচী (১৪) ও নিশিকা (১৬)। গত বুধবার সিটি আবাসিক কমপ্লেক্সে অবস্থিত অ্যাপার্টমেন্টের নবম তলা থেকে লাফ দেয় তারা। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই তিন শিশু অনলাইনে কোরিয়ান গেমের প্রতি আসক্ত ছিল। তাদের বাবা-মা গেম খেলায় বাধা দিয়েছিলেন এবং ফোন কেড়ে নিয়েছিলেন।

মেয়েরা ঘরের দরজা ভেতর থেকে আটকে দেয় এবং বারান্দায় গিয়ে একে একে নিচে লাফিয়ে পড়ে। রাত ২টা ১৫ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে। লাফিয়ে পড়ার শব্দে আবাসিক কমপ্লেক্সের অনেকে জেগে যান। ওই শিশুদের উদ্ধার করে দ্রুত লোনি এলাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। গাজিয়াবাদের এ ঘটনা তদন্ত করতে নেমে কর্তৃপক্ষ জানতে পেরেছে, কুমারের বর্তমানে তিনজন স্ত্রী আছেন। তাঁরা হলেন সুজাতা, হীনা ও টিনা। সম্পর্কে তাঁরা তিন বোন। এর মধ্যে সুজাতা হলেন নিশিকার মা আর হীনা প্রাচী ও পাখির মা। তৃতীয় স্ত্রী টিনার ঘরে কুমারের আরেকটি মেয়ে আছে। নাম দেবু (৪)। তাঁরা সবাই একসঙ্গে থাকছিলেন।

চেতন কুমার শেয়ারবাজারের একজন বিনিয়োগকারী। পুলিশের তথ্যমতে, তাঁর ২ কোটি টাকা ঋণ আছে। এমনকি বিদ্যুতের বিল মেটানোর জন্য মেয়েদের মুঠোফোন পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছিলেন তিনি। ওই মেয়ে শিশুরা দুই বছর ধরে স্কুলেও যাচ্ছিল না। তদন্তে জানা গেছে, তিন শিশু কোরিয়ান বিনোদন মাধ্যমগুলোর প্রতি বিশেষভাবে আসক্ত ছিল। আট পৃষ্ঠার ছোট ডায়েরিতে কোরিয়ান সংস্কৃতির প্রতি তাদের এমন আসক্তির পাশাপাশি পারিবারিক অশান্তির ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে।

(Feed Source: news18.com)