)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্য়ুরো: বিলাসবহুল জীবনের খরচ চালাতে ডাকাতি! অবশেষে পুলিসের জালে প্রাক্তন আইটি কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে।
পুলিস সূত্রে খবর, ধৃতের নাম আচ্ছি মহেশ রেড্ডি ওরফে সানি। আদতে অন্ধ্রপ্রদেশেরই পূর্ব গোদাবরী জেলায় কাকিনাড়া শহরের বাসিন্দা। তবে বিশাখাপত্তনমের মাধবধারা এলাকায় থাকতেন সানি। স্রেফ বিশাখাপত্তনম নয়, অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্ত তিনি।
পুলিস জানিয়েছে, সানি উচ্চশিক্ষিত। হায়দরাবাদের একটি নামী আইটি কোম্পানিতে চাকরিও করেন। কিন্তু শুধুমাত্র বিলাসবহুল শখে মেটানোর জন্য অপরাধের পথে পা বাড়িয়েছিলেন বছর সাতাশের ওই যুবক। তাঁর কাছ থেকে ৬৯৯ গ্রাম সোনা ও ৩.৮ কেজি রূপোর গয়না, একটি BMW গাড়ি, একটি নম্বরবিহীন স্কুটি উদ্ধার হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ৫.৬৩ লক্ষ টাকারও বেশি! একাধিকবার বিদেশেও গিয়েছেন সানি।
গত কয়েক মাস ধরেই বিশাখাপত্তমন শহরের বিভিন্ন জায়গায় চুরি ও ডাকাতির অভিযোগ আসছিল। বেশ কয়েক মাস ধরে তদন্ত করার পর যখন এই সানির হদিশ পান, তখন রীতিমতো তাজ্জব বনে যান তদন্তকারীরাই। তদন্তকারী জানিয়েছেন, ডাকাতি করার সময়ে মাস্ক, টুপি ও গ্লাভস করতেন সানি। দরজা ভাঙার জন্য সঙ্গে থাকত হাতুড়ি, স্ক্রু-ড্রাইভার ও ড্রিলিং মেশিনের মতো সরঞ্জামও। তদন্ত কার্যত শেষ। সানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর, এখন চার্জশিটের পেশের প্রস্তুতি চলছে বলে খবর।
বিশাখাপত্তনমের পুলিস কমিশনার শঙ্খব্রত বাগচী জানিয়েছেন, অল্প বয়স থেকে অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়েছিল সানি। মাত্র ১৫ বছর বয়েসে পিএম পালেম এলাকায় ঘরে ঢুকে চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় সানি। তখন তাঁকে পাঠানো হয়েছিল জুভেলাইন হোমে। ছাড়া পাওয়ার পর , কাঁকিনাড়া, সর্পভরম, রামচন্দ্রপুরম, ইন্দ্রপালেম এবং রাজামহেন্দ্রি ও তার আশেপাশে চুরি করতে থাকেন তিনি। ফলে ১৪ মাস জেলেও থাকতে হয়। পুলিসে রেকর্ডে গোটা অন্ধ্রপ্রদেশের ৬০ টি ডাকাতিতে অভিযুক্ত সানি।
এদিকে রাজস্থানে আবার স্ত্রী শখ মেটাতে নাকি চুরি-ডাকাতি করতেন এক ব্যক্তি! রীতিমতো সন্ধান চালিয়ে তাঁকে পাকড়াও করে পুলিস। নাম, তরুণ পারেখ। রাজস্থানের জাম্বরামগড় গ্রামের বাসিন্দা তিনি। পুলিস সূত্রে খবর, একটি বেসরকারি সংস্থায় এক্সিকিউটিভ পদে চাকরি করতেন BBA পাস তরুণ। কিন্তু যা রোজগার করতেন, তাতেও স্ত্রী শখ মেটাতে পারছিলেন না। বস্তুত, যতদিন যাচ্ছিল, স্ত্রীর শখও বেড়ে যাচ্ছিল। ফলে বাড়ছিল খরচও। শেষে স্ত্রীর চাপে চাকরি ছেড়ে অপরাধ জগতে পা রাখেন তরুণ।
(Feed Source: zeenews.com)
