
Malda Heritage Tourism: প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড়ের বারোদুয়ারি মসজিদের ইতিহাস জানুন। একসময়ের গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদের অংশ এই স্থাপত্য আজও বহন করে মধ্যযুগীয় বাংলার ঐতিহ্য ও গৌরবের সাক্ষ্য
গৌড়ের বারোদুয়ারি
মালদহ, জিএম মোমিন: প্রাচীন বাংলার রাজধানী ধ্বংসাবশেষ গৌড় নগরীর একাধিক নির্মাণের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে আজও দেশ বিদেশ থেকে ছুটে আসেন বহু পর্যটক। রাজপ্রাসাদ থেকে প্রাচীর, মিনার, প্রবেশদ্বার, দুর্গ ইত্যাদি একাধিক রকম বহু স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ চিহ্ন আজও জ্বলজ্বল করছে প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড়ের বুকে। তবে ধ্বংসাবশেষ কিছু অংশ দেখা মিললেও নগরীর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ একেবারে ধ্বংস হয়ে নিশ্চিহ্ন।
যাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিল গ্রীষ্মকালীন প্রাসাদ বা ভবন। ভবন না থাকলেও এই ভবন বা প্রাসাদকে কেন্দ্র করে নির্মিত বহু অংশ ধ্বংসাবশেষ অবস্থায় আজও অবশিষ্ট। যা বর্তমানে বারোদুয়ারি বা বড় সোনা মসজিদ নামে পরিচিত। মূলত এই নির্মাণের ১২টি দ্বার কে উল্লেখ করে এই নামকরণ বলে অভিমত অনেকের। যদিও নির্মাণের সামনের অংশে ১১টি খিলান বিশিষ্ট দ্বার উন্মুক্ত। ইতিহাসবিদদের মতে, সুলতান নসরত শাহ দ্বারা ১৫২৬ সালে এই নির্মাণটি তৈরি হয়। গৌড় নগরীর উওর প্রান্তে এই বারোদুয়ারি অবস্থিত।
ভারত সরকারের পুরাতত্ত্ব বিভাগের তথ্য অনুযায়ী মসজিদের উত্তর দিকে একটি মহিলা গ্যালারি এবং দক্ষিণ-পূর্বে একটি মঞ্চ রয়েছে যা সম্ভবত মুয়াজ্জিন দ্বারা বিশ্বস্ত ব্যক্তিদের প্রার্থনায় ডাকার জন্য ব্যবহৃত হত। ঐতিহাসিক এই স্থাপত্যটি কে ১২ টি দরজার জন্য বারোদুয়ারি বলা হয়। তবে এটিতে সামনের দিকে ১১ টি ও সবমিলিয়ে একাধিক দরজা রয়েছে। প্রাসাদ না থাকলেও প্রসাদকে কে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা মসজিদটি বর্তমানে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। যাকে দেখতে আজও দেশ বিদেশ থেকে ছুটে আসেন বহু পর্যটক।
