
এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। কুঁচকির চোটের কারণে মাঠে নামতে পারেননি মিচেল মার্শ। তাঁর বদলে অধিনায়কত্বে দায়িত্ব পালন করা ট্র্যাভিস হেড এদিন ওপেনে নেমে তেমন রান পাননি। ইংলিস এবং ক্যামেরন গ্রিন দুরন্ত গতিতে অস্ট্রেলিয়াকে পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৫০ রানের গণ্ডি পার করান। তবে ১১ বলের ব্যবধানে দুইজনেই যথাক্রমে ৩৭ ও ২১ রানে সাজঘরে ফিরে যান। এরপর অজ়ি ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব এসে পড়ে ম্যাট রেনশঁ এবং স্টোইনিসের কাঁধে।
আইরিশ স্পিনাররা মাঝের ওভারগুলিতে বেশ ভাল বোলিংয়ে রান চাপতে সক্ষম হন। তবে তা সত্ত্বেও স্টোইনিসের অভিজ্ঞতা এবং রেনশঁর স্পিন খেলার দক্ষতায় ভর করে অস্ট্রেলিয়া ইনিংস এগিয়ে যায়। রেনশঁ ৩৭ ও স্টোইনিস ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন। দুইজনে পঞ্চম উইকেটে ৬১ রান যোগ করেন। অস্ট্রেলিয়া শেষ পাঁচ ওভারে মোট ৫৩ রান তুলে ছয় উইকেটে ১৮২ রানে নিজেদের ইনিংস শেষ করে।
চ্যালেঞ্জিং রান তাড়া করতে নেমে আইরিশরা শুরুতেই ধাক্কা খায়। অধিনায়ক পল স্টার্লিং মাত্র এক রানে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরে যান। তাঁর ফিরে যাওয়ার পর নতুন বলে বিধ্বংসী স্পেলে আইরিশ টপ অর্ডারে ধস নামান এলিস। ৫০ রানের গণ্ডি পার করার আগেই আধা আয়ার্ল্যান্ড দল সাজঘরে ফিরে যায়। শুরুটা যেথানে এলিস করেছিলেন, সেখানে মাঝের ওভারে নিজের স্পিন ঘূর্ণিতে আইরিশদের বিপাকে ফেলেন অ্যাডাম জাম্পা। লরকান টাকার ২৪ রানের ইনিংস খেলে ফিরে যান।
আটে নেমে জর্জ ডকরেল ৪১ রানের বেশ নজরকাড়া এক ইনিংস খেলেন। তাঁর ইনিংস না থাকলে আফগানিস্তানের শতরানের গণ্ডি পার করতেও হয়তো বিপাকে পড়তে হত। তবে তিনিও শেষমেশ জাম্পারই শিকার হন। এলিস এবং জাম্পা উভয়ই চারটি করে উইকেট নিয়ে আইরিশদের ইনিংস ১১৫ রানেই গুটিয়ে দেন। দুরন্ত জয় পায় অস্ট্রেলিয়ান দল।
(Feed Source: abplive.com)
