
বিএনপির জয় (সম্ভাব্য) ভারতের পক্ষে কতটা আশার ? এর উত্তরে ইমনকল্যাণ লাহিড়ি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষকে প্রথমেই স্বাগত। তাঁরা অন্তত জামাতদের পাল্লায় পড়ে অস্থির বাংলাদেশকে এই নির্বাচনের পর আরও অস্থির করে তুলতে সাহায্য করেননি। বাংলাদেশে স্থিতাবস্থা এবার ফিরে আসবে। তারেক রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষ যে আছেন এবং ভারত যে আছে…আমরা জানি…আমাদের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর তাঁর মাতৃবিয়োগের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং ভারত ধৈর্য ধরেছে যে বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পর সরকার গঠনের পর গণতন্ত্র ফিরে আসবে। আশা করা যাবে, বিএনপি…অতীতে যে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক ছিল প্রাথমিক পর্যায়ে…পরবর্তীকালে হয়ত কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু, তা সত্ত্বেও বিরোধী নেত্রী হিসাবে খালেদা জিয়া বারবার ভারতে এসেছেন। ভারত কিন্তু বিরোধী নেতা হিসাবে এবং প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দুটোভাবেই বারবার সম্মান জানিয়েছেন। বিএনপি একটি মেজর রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় জয়লাভ করেছে। ভারতের মানুষ এটাকে সমর্থন করেন। ভারতে অনেক ধৈর্য দেখিয়েছে। এই ক’দিন যে হত্যালীলা, অস্থিরতা বাংলাদেশে চলেছিল, তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে এটাকে সামলেছে। আগামীদিনে সরকার গঠনের পর বাংলাদেশ আস্তে আস্তে স্থিতাবস্থা ফিরে পাবে।”
বাংলাদেশের ভোটগণনায় জামাতকে বহু পিছনে ফেলে দিয়েছে BNP জোট। ২৯৯ আসনের মধ্যে ২০১টিতে জয়ী BNP জোট , প্রথম আলো সূত্রে খবর। বাংলাদেশে দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা পেয়েছে BNP। ঢাকা ৩ আসনে জয়ী BNP প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামাতের প্রার্থীর চেয়ে গয়েশ্বর চন্দ্রের ভোটের ব্যবধান ১৬ হাজারের বেশি। নির্বাচনে জয়ী ৭ মহিলা প্রার্থী। ৬৯টি আসনে জয়ী জামাত জোট, খবর প্রথম আলো সূত্। শেখ হাসিনার টানা ১৫ বছর শাসন শেষের প্রায় দেড় বছর পর কুর্সির পথে BNP। খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬, ২টি আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। জামাতের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়েও দাগ কাটতে পারেনি ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা NCP।
(Feed Source: abplive.com)
