
জানা গিয়েছে, কর্নাটকের বাসিন্দা সাকেত শ্রীনিবাসাইয়া কেমিক্যাল এবং বায়োমলিকিউলার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়েছিলেন ক্যালিফোর্নিয়া বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন এই ছাত্র। সান ফ্রান্সিসকোতে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেট নিশ্চিত করেছে যে, পুলিশ সাকেতের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। পড়ুয়ার দেহ দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহায়তার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে ভারতীয় কনস্যুলেটের তরফে। এই কঠিন সময়ে মৃত ছাত্রের পরিবার এবং প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনাও জানানো হয়েছে ভারতীয় কনস্যুলেটের তরফে।
ভারতীয় ছাত্রের নিখোঁজ থাকার খবর পাওয়ার পর থেকেই তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল ক্যালিফোর্নিয়ার পুলিশ। লেক আনজা এবং বার্কলে পাহাড়ি এলাকায় চলছিল তল্লাশি অভিযান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে শেষবার দেখা গিয়েছিল সাকেত শ্রীনিবাসাইয়াকে। তল্লাশি অভিযানে পুলিশ একটি ব্যাকপ্যাক উদ্ধার করে যার মধ্যে সাকেতের পাসপোর্ট এবং ল্যাপটপ ছিল। এই ব্যাকপ্যাক খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল টিলডেন রিজিওনাল পার্কের কাছের একটি বাড়িতে। এই এলাকাও সাকেতের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বেশ কাছেই।
আইআইটি মাদ্রাসের ছাত্র ছিলেন সাকেল শ্রীনিবাসাইয়া। কর্নাটকের এই পড়ুয়া মাস্টার ডিগ্রির পড়াশোনা করতে গিয়েছিলেন বার্কলেতে। বেঙ্গালুরুর শ্রী বাণী এডুকেশন সেন্টার স্কুলের ছাত্র ছিলেন তিনি। ‘microchannel cooling system for hyperloop and a method thereof’ – এই নিয়ে কাজ করছিলেন সাকেত। আর এই আবিষ্কারের পেটেন্ট থাকা ৬ জনের মধ্যে এই ভারতীয় ছাত্র ছিলেন একজন। সাকেতের LinkedIn প্রোফাইল সূত্রে এও তথ্য জানা গিয়েছে। অত্যন্ত বুদ্ধিমান ছিলেন সাকেত। নরম স্বভাবের এই পড়ুয়ার মধ্যে অনেক গুণই ছিল। তাঁর এ হেন মর্মান্তিক পরিণতিতে হতবাক সকলেই।
(Feed Source: abplive.com)
