
ডিম সেদ্ধ করা এক জিনিস, আর পরিষ্কার করে খোসা ছাড়ানো অন্য জিনিস। অনেক সময় খোসা ছাড়ানোর সময় ভিতরের সাদা অংশও আলাদা হয়ে যায় এবং ডিমের আকৃতি নষ্ট হয়ে যায়।
Egg Peeling Tips: ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতাই সব নয়। ডাক্তাররা বলেন যে প্রতিদিন একটি করে সেদ্ধ ডিম খাওয়া উচিত। তবে, ডিম সেদ্ধ করা এক জিনিস, আর পরিষ্কার করে খোসা ছাড়ানো অন্য জিনিস। অনেক সময় খোসা ছাড়ানোর সময় ভিতরের সাদা অংশও আলাদা হয়ে যায় এবং ডিমের আকৃতি নষ্ট হয়ে যায়। এটি যাতে না ঘটে তার জন্য, একটি ছোট টিপস অনুসরণ করা যথেষ্ট।
ডিম সিদ্ধ করার সময় জলে নুন মেশানো একটি সাধারণ অভ্যাস, এটা সকলেই জানেন। কিন্তু আমাদের রান্নাঘরে আরও একটি উপাদান আছে যা আরও ভাল কাজ করে। তা হল ভিনেগার। হ্যাঁ, যে জলে ডিম সিদ্ধ করা হয়, তাতে এক চামচ ভিনেগার মিশিয়ে নিন। ভিনেগারের অ্যাসিডিক প্রকৃতি ডিমের খোসাকে নরম করে। এর ফলে ফুটানোর পর খোসাটি আলাদা করা খুব সহজ হয়।
লবণ বা ভিনেগার না থাকলে কী করবেন? যদি ভিনেগার না থাকে, তাহলে আপনি বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন। ফুটন্ত জলে এক চিমটি বেকিং সোডা যোগ করলে জলের ক্ষারত্ব বৃদ্ধি পায়। এটি ডিমের খোসা এবং ভিতরের সাদা অংশের মধ্যবর্তী স্তরটি আলগা করে দেয়। ফলস্বরূপ, ডিমের খোসা ছাড়ানো সহজ হয়ে যায়।
আরও কিছু সতর্কতা… ডিম ভালভাবে ফুটে ওঠার পরই জলে ঢেলে দিতে হবে। ডিম রান্না হওয়ার সাথে সাথে গরম জল ঝরিয়ে ঠান্ডা জলে (আইস ওয়াটার) ডুবিয়ে রাখতে হবে। একে ‘শক ট্রিটমেন্ট’ বলা হয়। এই পরিবর্তনের কারণে ডিম ভিতরে সঙ্কুচিত হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে খোসা থেকে আলাদা হয়ে যায়।
পাঁচ মিনিট ঠান্ডা জলে রাখার পর যদি আপনি ডিমটি মেঝেতে বা পাত্রের ধারে আলতো করে টোকা দেন, তাহলে খোসাটি স্তরে স্তরে খোসা ছাড়িয়ে যাবে।
এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলি করে, আপনি ডিমের আকৃতি নষ্ট না করে এবং কোনও প্রচেষ্টা ছাড়াই খোসা ছাড়িয়ে নিতে পারেন। এটি কেবল রান্নাঘরে আপনার সময় বাঁচাবে না, সেদ্ধ ডিমগুলিও সুন্দর দেখাবে। আপনার এই টিপসটি একবার চেষ্টা করে দেখা উচিত…
(Feed Source: news18.com)
