Noida Shocker: মন্দিরে ভোজ খেতে গিয়ে ভয়ংকর পরিণতি! বাবা-মা-র নজর এড়িয়ে জলভর্তি গর্তে পড়ে গেল ৩ বছরের শিশু…

Noida Shocker: মন্দিরে ভোজ খেতে গিয়ে ভয়ংকর পরিণতি! বাবা-মা-র নজর এড়িয়ে জলভর্তি গর্তে পড়ে গেল ৩ বছরের শিশু…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মন্দিরে ভোজের রান্না হচ্ছিল। সেখানেই খেলা করছিল ৩ বছরের শিশু দেবংশ। আর সেই জায়গার পাশেই একটি ছিল একটি বিশাল জলভর্তি গর্ত। সেখানেই পড়ে যায় দেবাংশ। এলাকার মানুষের অভিযোগ, বহুদিন ধরে গর্তটি ওভাবেই পড়েছিল। বর্ষায় তাতে জল জমে যায়। স্থানীয় পঞ্চায়েত ওই গর্ত বোজানোর কোনও চেষ্টাও করেনি। মর্মান্তিক ওই ঘটনা ঘটেছে গ্রেটার নয়ডার দনকৌর থানা এলাকার দালিলগড় গ্রামে।

দালিলগড়ের বাসিন্দা অনিল কয়েক দিন আগেই তাঁর ছেলে দেবংশ এবং মেয়েকে নিয়ে বুলন্দশহরের সেকেন্দ্রাবাদে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজের বাবা-মায়ের কাছে ফিরেছিলেন। শনিবার সপরিবারে তাঁরা কাছের একটি মন্দিরে ভোজ খেতে গিয়েছিলেন। সেখানে খেলাধুলা করার সময় দেবংশ দুর্ঘটনাবশত পা পিছলে জলভর্তি ওই গর্তে পড়ে যায়। গ্রামবাসীরা শিশুটিকে গর্ত থেকে টেনে তোলেন, ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়েছে। আকস্মিক ওই ঘটনায় পরিবারটিকে পুরোপুরি বিধ্বস্ হয়ে গিয়েছে।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ওই খোলা গর্ত নিয়ে বারবার অভিযোগ জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি সেক্টর ১৫০-এর কাছে সাম্প্রতিক একটি দুর্ঘটনার পরেও তারা গ্রেটার নয়ডা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে বিপজ্জনক গর্তগুলো ভরাট করা এবং সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন। তার পরেও টনক নড়েনি প্রশাসনের।

পুলিশ জানিয়েছে যে তারা ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত এবং নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই ঘটনাটি আবাসিক এবং গ্রামীণ এলাকাগুলোতে নাগরিক নিরাপত্তা এবং দুর্ঘটনা রোধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অভাব নিয়ে আবারও বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

মাত্র এক মাস আগেই নয়ডার সেক্টর ১৫০-এ ঘটে যাওয়া একটি মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতি উসকে দিয়েছে এই ঘটনা। সেবার যুবরাজ মেহতা নামে ২৭ বছর বয়সী এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার একটি খোলা গর্তে ডুবে মারা যান। গত ১৬ জানুয়ারি রাতে নিজের বাড়ির কাছেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। একটি শপিং মলের বেসমেন্টের জন্য বহু বছর আগে খুঁড়ে রাখা এক গভীর গর্তে তাঁর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়। গর্তটি খোলা অবস্থায় ছিল এবং বৃষ্টির জল ও পয়ঃনিষ্কাশনের নোংরা জলে পূর্ণ হয়ে সেটি একটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছিল। যুবরাজ সাঁতার জানতেন না, তবুও ডুবে যাওয়ার আগে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে নিজের ডুবন্ত গাড়িটিকে আঁকড়ে ধরে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।

(Feed Source: zeenews.com)