
কলকাতা: চেনা জীবন, অচেনা ছবির অ্যালবাম। সাক্ষাৎকার নয়, স্মৃতির পথে হাঁটা। এবিপি আনন্দয় মুখোমুখি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবিপি আনন্দর এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট সুমন দে’র সঙ্গে কথোপকথনে উঠে এল নানা বিষয়। উঠে এল নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎ।
প্রশ্নের উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, গুজরাটে ভূমিকম্পের সময় অটলজি ডেকে পাঠালেন যে ওখানে কত দ্রুত রিলিফ পৌঁছে দেওয়া যায়। সেই সময় আমি রেলমন্ত্রী ছিলাম। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেল লাইনের কাজ চলছিল। পুরো রেললাইন পেতে দিলাম। তারপর আমরা একসঙ্গে গিয়েছিলাম। সনিয়াজিও গিয়েছিলেন। তখনই নরেন্দ্র মোদিকে প্রথম দেখেছিলাম। উনি একটা ব্যাগ হাতে যাচ্ছিলেন। তখন আমি ওঁকে চিনতাম না।
প্রশ্ন: নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আপনি বেশ কয়েকবার সাক্ষাৎ করেছেন। অটল বিহারী বাজপেয়ী না মোদি, তুলনামূলকভাবে কীরকম লেগেছে?
উত্তর: অটলজির সঙ্গে কাজ করেছি। ওঁর (নরেন্দ্র মোদি) সঙ্গে কাজ করিনি। ফলে যত কম কথা বলা যায় ততই ভাল। দেখা করেছি অনেকবার। সমস্যা হয়নি কিছুই। দেখা হলে বলেন, ক্যায়সা হ্যায় মমতাজি, ইত্যাদি অত্যাদি বলেন। সৌজন্যটা চলে সবসময়।
প্রশ্ন: আপনি আম আর মিষ্টিও তো পাঠান?
উত্তর: সে তো দেখো সেন্ট্রাল হলে আগে আমরা সবাই মিশতাম। এখন তো সব বন্ধ হয়ে গেছে। সর্বদলীয় আড্ডা হত, সাংবাদিকরা থাকতেন। এখন তো এসব কিছুই নেই। এখন হয়তো দেখা হলে কথা ভাল বলেন, কিন্তু কাজ হয় না। নো ওয়ার্ক। আজ পর্যন্ত আমি কোনও কাজ পাইনি এই ১৪ বছরে।
প্রশ্ন: আপনি সরকারে, তুলনামূলক বিচারে বিরোধী হিসেবে কোন দলকে বেশি নম্বর দেবেন?
উত্তর: কারওকে দেব না। দুটোই সমান রাম-শ্যাম সব এক। কেরলে বিজেপি-সিপিএম প্ল্যান করছে। কংগ্রেসের তো উচিত ছিল সিপিএম এর সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করা। করছে না তো। ওরকম ওঁরা বলে। ইন্ডিয়া জোটের মিটিংয়ে যখন সীতারাম ইয়েচুরি বসে থাকতেন তখন তো আমি দেখতাম।
(Feed Source: abplive.com)
সম্পূর্ণ সাক্ষাৎকারটি দেখুন-
