)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মর্মান্তিক ঘটনা। গোটা গ্রামে শোকের ছায়া। বিয়ের বরযাত্রী আসছে। কনের বাড়িতে সাজজাস রব। বরযাত্রী কনের বাড়ি পৌঁছনোর আগেই নিজেদের শেষ করে দিলেন দুই বোন। শোকে স্তব্ধ রাজস্থানের যোধপুরের সুরসাগর থানার অন্তর্গত মানাই গ্রাম। খবর পেয়ে পুলিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য যোধপুরের মহাত্মা গান্ধী হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এডিপিসি (পশ্চিম) রোশন মিনা জানিয়েছেন, মৃত দুই বোন শোভা ও বিমলা মানাই গ্রামের বাসিন্দা দীপ সিংয়ের মেয়ে। তাদের বিয়ের বরযাত্রী আসার ঠিক আগমুহূর্তে তারা এই চরম পথ বেছে নেন। মিনা আরও জানান, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। পুলিস প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে এবং পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ওই দুই বোনই একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন।
এডিপিসি জানান, শুক্রবার গভীর রাতে তাদের বাড়িতে বিয়ের আগের অনুষ্ঠান ‘বানডোলি’ সম্পন্ন হয়েছিল। এরপর রাত ১২টার দিকে দুই বোন তাদের ঘরে ঘুমাতে যান। ভোর ৪টার দিকে হঠাৎ তাদের স্বাস্থ্যের অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাদের যোধপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এরপর মরদেহ দুটি বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।
মৃতদের কাকা যশবন্ত সিং জানান, ভোর ৫টার দিকে তিনি তার ছোট বোনের কাছ থেকে ফোনের মাধ্যমে এই দুর্ঘটনার খবর পান। তিনি তৎক্ষণাৎ অন্য আত্মীয়দের সাথে কথা বলেন এবং পুলিসকে জানান। সকাল ৬টার দিকে যখন পরিবার শেষকৃত্যের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন পুলিস মানাই গ্রামে পৌঁছায়। কাকা আরও জানান যে, ততক্ষণে দুই বোনের শরীর নীল হয়ে গিয়েছিল, যা দেখে তাদের বিষক্রিয়ায় মৃত্যুর সন্দেহ জাগে।
যশবন্ত সিং আরও জানান যে, আত্মীয়স্বজনদের চাপে তার দুই ভাগ্নির বিয়ে জালোর জেলার ভিনমাল শহরের পাত্রদের বদলে পোখরানের জেমলা গ্রামের পাত্রদের সাথে ঠিক করা হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, এরপর থেকে তাকে তার বোন অর্থাৎ মৃত দুই বোনের মায়ের সাথে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। চার দিন আগে তার বোন ও ভগ্নিপতি বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র দিতে তার বাড়িতে গিয়েছিলেন। যশবন্ত সিং সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন যে, দীপ সিংয়ের ছোট ভাইয়ের কারণেই তার দুই ভাগ্নি নিজেদের জীবন শেষ করে দিয়েছেন।
আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ…
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭
২৪x৭ টোল-ফ্রি মানসিক স্বাস্থ্য পুনর্বাসন হেল্পলাইন– কিরণ (১৮০০-৫৯৯-০০১৯)
(Feed Source: zeenews.com)
