
বাংলাদেশে ছাত্রদের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। বোন রেহানাকে নিয়ে বাংলাদেশ ছাড়েন হাসিনা। আওয়ামি লিগের শুধু শীর্ষ নেতারাই নন, সাধারণ কর্মীরাও তারপর অন্তরালে চলে যান। যারা পারেননি তারা খুন-সহ একাধিক মামলার বোঝায় জর্জরিত। অনেকেই কারারুদ্ধ। তবে রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের আগে থেকেই বাংলাদেশের বাইরে রয়েছেন ক্রিকেটার তথা আওয়ামি লিগের সাংসদ শাকিব আল হাসান। খুন-সহ নানা মামলা রয়েছে বিশ্বের এক সময়কার এক নম্বর অবরাউন্ডারের বিরুদ্ধে।
এবার তাঁর বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলে ফেরার জোরাল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP)। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শাকিবকে নিয়ে এর আগে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছিলেন। আবারও শাকিবের দেশে ফেরার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়া সরগরম শাকিবের দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে। গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে পা রাখবেন শাকিব। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজে তাঁকে খেলতে দেখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে সেই গুঞ্জনটি উড়িয়ে দিয়েছেন শাকিব। তারপরও তাঁকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া থেমে নেই।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ডিরেক্টর আসিফ আকবর জানিয়েছেন, শাকিবকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া শাকিবের সঙ্গে তাঁর নিয়মিত কথা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন আসিফ আকবর। বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর শুক্রবার এক টক শো-তে বলেছেন, ‘শাকিবের সঙ্গে আমার নিয়মিত কথা হয়। শেষ যখন আমি আমেরিকায় গিয়েছিলাম সেখানেও কথা হয়েছে। শাকিব বলেছে ও খেলতে চায়। এরপর বোর্ড পরিচালকদের সবার সম্মতি নিয়ে আমরা ওকে বাংলাদেশ দলে চেয়েছি।’
(Feed Source: abplive.com)
