)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আইএএফ তেজস যুদ্ধবিমানে দুর্ঘটনা (Tejas Light Combat Aircraft crashed)। ল্যান্ডিংয়ের সময়েই এই বিপত্তি। এই নিয়ে এটি এ বছরের তৃতীয় ঘটনা। যান্ত্রিক ত্রুটির সন্দেহ করা হচ্ছে।
তেজস লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট
ভারতীয় বিমান বাহিনীর (IAF) একটি তেজস লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট (LCA) অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তেজস বিমানের পুরো বহরটিকে সাময়িকভাবে ওড়া বন্ধ (Grounded) রাখা হয়। এটি তেজস বিমানের তৃতীয় দুর্ঘটনার ঘটনা।

রুটিন প্রশিক্ষণ
একটি রুটিন প্রশিক্ষণ মিশন চলছিল। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময়ে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, অবতরণের সময় কোনো যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। কী ধরেন গোলযোগ? সম্ভবত ব্রেক ফেল বা অন-বোর্ড সিস্টেমের ত্রুটি বলেই আপাতত মনে করা হচ্ছে। এর ফলে বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে এবং ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
কেমন আছেন পাইলট?
বিমানটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পাইলট ঠিক সময়ে ইজেক্ট করতে সক্ষম হন এবং প্রাণে বেঁচে যান। তেমন বড় কোনো আঘাতও তাঁর লাগেনি বলেই শোনা গিয়েছে। বিমানটিকে সম্ভবত আর মেরামত করা সম্ভব হবে না বলেই জানা গিয়েছে।
স্থগিত তেজস
এই ঘটনার পরে বায়ুসেনা তাদের হাতে থাকা প্রায় ৩০টি একক আসনের তেজস বিমানের উড়ান স্থগিত রেখেছে। একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি (Court of Inquiry) গঠন করা হয়েছে, যাতে দুর্ঘটনার আসল কারণ খুঁজে বের করা যায় এবং পুরো বহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
তিনটি তেজস-কাণ্ড
এর আগে ২০২৪ সালের মার্চে রাজস্থানের জয়সলমীরের কাছে একটি তেজস বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। এটি ছিল তেজসের প্রথম দুর্ঘটনা। এর পরে ২০২৫ সালের নভেম্বরে। দুবাই এয়ার শো চলাকালীন এই দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে। যাতে উইং কমান্ডারের মৃত্যু ঘটে। এর পর এই তৃতীয় ঘটনা। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদিও এই দুর্ঘটনাগুলি দুশ্চিন্তার, তবুও এটি সরাসরি বিমানের নকশার ত্রুটি প্রমাণ করে না। তদন্ত রিপোর্ট আসার পরেই বোঝা যাবে সমস্যাটি কোথায়?– তা রক্ষণাবেক্ষণজনিত, না কি যান্ত্রিক।
(Feed Source: zeenews.com)
