Former Jharkhand CM’s Grandson died: মাত্র ১৯ বছর বয়সেই মানালি বেড়াতে গিয়ে রহস্যমৃত্যু প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাতির, মারাত্মক চক্রান্ত নাকি দুর্ঘটনা…

Former Jharkhand CM’s Grandson died: মাত্র ১৯ বছর বয়সেই মানালি বেড়াতে গিয়ে রহস্যমৃত্যু প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নাতির, মারাত্মক চক্রান্ত নাকি দুর্ঘটনা…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মঙ্গলবার, প্রাক্তন ঝাড়খাণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী, চাম্পাই সোরেনের নাতি ও বাবুলাল সোরেনের ছেলে, বীর সোরেন মারা গেছেন। তাঁর রহস্যময় মৃত্যুকে ঘিরে উঠছে প্রশ্ন। বন্ধুদের সাথে মানালি ঘুরতে গিয়ে  রহস্যময় পরিস্থিতিতে ঘটল এই ঘটনা।

বীর সোরেনের বয়স ছিল ১৯ বছর। তিনি বিদেশে পড়াশোনা করছিলেন। ২২ ফেব্রুয়ারি, বন্ধুদের সাথে মানালি বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। সিমসার একটি হোটেলে থাকছিলেন তাঁরা। ২৩ ফেব্রুয়ারি, হেমন্ত পাশের কাছে, সোলাং ভ্যালি এবং সেথান গ্রামে তাঁরা গিয়েছিলেন। সেদিনই সন্ধ্যায়, হোটেলে ফিরে বীর অসুস্থ হয়ে পড়ে।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বেলা ১২:৩০ টায়, বেড়াতে গিয়ে বীর ফিরে এসেছিলেন। তাঁর তীব্র মাথাব্যথার করছে বলে অভিযোগও করেছিলেন। বীরের এক বন্ধু তাঁকে ঔষুধ দেয় এবং সেটা খেয়ে তিনি ঘুমাতে যান। গভীর রাত, ২:৩০ নাগাদ একটি তীব্র শব্দ তাঁর ঘর থেকে শোনা যায়ে। তাঁর বন্ধুরা বীরের খোঁজ করতে গিয়ে দেখে, সে  নিঃশব্দে বিছানায় শুয়ে রয়েছেন।

সেই রাতেই বীরের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে গেলে তাঁর বন্ধুরা দ্রুতই তাঁকে মানালির সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সোরেন পরিবারের এক ঘনিষ্ট জানান, ‘হাসপাতাল যাওয়ার পথে, তাঁর মুখ থেকে গ্যাঁজলা বের হতে দেখা যায়। হাসপাতাল ডাক্তাররা বেশ কিছুক্ষণ তাঁকে সিপিয়ার (CPR) দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু বীরকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি এবং শেষে তাঁকে মৃ্ত্যু ঘোষণা করা হয়।’

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ঘটনার খবর আসা মাত্র চাম্পাই সোরেন রাঁচি থেকে দিল্লির পথে রওনা দেয়। চাম্পাই সোরেনের তিন ছেলে- সিমাল সোরেন, বাবুলাল সোরেন ও বাবলু সোরেনও তাঁর সঙ্গে যান। পরিবারের লোকজন হিমাচল প্রদেশ প্রশাসন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে অবিচ্ছিন্নভাবে যোগাযোগ করতে থাকেন।

চাম্পাই সোরেন এক্স মাধ্যমে নাতি হারানোর শোক প্রকাশ করেছেন।

তিনি লিখেছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে আমাদের জানাতে হচ্ছে, আমাদের প্রিয় নাতি, বীর সোরেন, ২৪ ফেব্রুয়ারি মারা যান। মানালিতে হঠাত্‍ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাঁর নিয়তির অন্য পরিকল্পনা ছিল। বীরের মৃত্যু আমাদের পরিবারকে স্তম্ভিত করেছে’

(Feed Source: zeenews.com)