
উদ্ধারের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই বহু মানুষ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং প্রশ্ন তুলেছেন, এতদিন ধরে কী ভাবে বিষয়টি নজরে এল না
‘ট্রিবিউন ইন্ডিয়া’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মীরা ঘাটি চক সংলগ্ন নিজের বাড়িতে অত্যন্ত করুণ অবস্থায় একা বসবাস করছিলেন ওই প্রবীণ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। স্থানীয় সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা ‘আপনা আশিয়ানা’-র সদস্য রাজ কুমার অরোরা জানান, ব্যক্তি একটি সচ্ছল পরিবারের হলেও সময়ের সঙ্গে তাঁর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা অনেকটাই অবনতি ঘটে।
সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁর স্ত্রীকে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, তিনি দুই মেয়েকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। স্ত্রীর দাবি, তাঁর স্বামী মানসিকভাবে স্থিতিশীল ছিলেন না এবং নিজেই একা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেক্টর ৭-এ তাঁদের বাসভবনে তাঁর দেখভালের জন্য একজন পরিচর্যাকারী নিয়োগ করা হয়েছিল বলেও তিনি জানান।
A deeply disturbing video has surfaced from #Karnal.
An elderly doctor was found living alone in extremely pathetic and neglected conditions inside his own home.
His son and daughter are settled in Australia. Reportedly, he had not even changed his clothes for nearly one and a… pic.twitter.com/O0KZDJIAtW— Indian Doctor🇮🇳 (@Indian__doctor) February 24, 2026
তবে অভিযোগ, ওই চিকিৎসক সেখানে থাকতে অস্বীকার করেন এবং মীরা ঘাটি চকের বাড়িতেই আলাদা করে বসবাসের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।
আরেকজন প্রশ্ন তোলেন, “ছেলে-মেয়েরা কি জানতেন না যে তাঁদের বৃদ্ধ বাবা দেশে একা আছেন?”
আরেক মন্তব্যে বলা হয়, “অস্ট্রেলিয়ায় থাকায় কী লাভ, যদি নিজের বাবা-মায়ের দেখভালই না করা যায়?”
কেউ লিখেছেন, “১৮ মাসে একবারও কি প্রতিবেশী, বন্ধু বা আত্মীয় কেউ খোঁজ নিলেন না? সত্যিই দুঃখজনক।”
এক ব্যবহারকারী পরামর্শ দেন, “বিবাহিত-অবিবাহিত, সন্তান থাকুক বা না থাকুক—বার্ধক্য যেন সম্মানের সঙ্গে কাটে, তার পরিকল্পনা নিজেকেই করতে হবে। আজকের ব্যস্ত পৃথিবীতে কেউ কারও জন্য সময় বার করে না।”
(Feed Source: news18.com)
