
চেনাগালপাট্টু জেলার কাছে একটি পারিবারিক আদালতে (ফ্যামিলি কোর্ট) সঙ্কগীতা পিটিশন দায়ের করেছেন। শুনানি হতে চলেছে আগামী ১০ এপ্রিল। আদালতের যাবতীয় কার্যক্রম যাতে ক্যামেরার আওতাধীন হয়, সেই আবেদনও জানিয়েছেন সঙ্কগীতা। বিজয়ের বিরুদ্ধে স্ত্রী সঙ্কগীতা সোরনালিঙ্গমের অভিযোগ, ২০২১ সালেই আস্তে আস্তে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তাঁদের মধ্যে। মানসিক ভাবে সঙ্কগীতার থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন বিজয়। এমনকি কথোপকথনের মাধ্যমেও স্ত্রী’র সঙ্গে উপযুক্ত আচরণ করেননি অভিনেতা। অবজ্ঞার ব্যবহারের পাশাপাশি সঙ্কগীতাকে একই বাড়িতে আলাদাভাবে থাকতেও বাধ্য করেছেন বিজয়। আর এই পুরো পরিস্থিতির দরুণ অভিনেতা দম্পতির সন্তানরাও তাদের বন্ধুমহলে অপ্রস্তুত হচ্ছিল। সমাজ এবং সমাজমাধ্যম, সব ক্ষেত্রেই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে তাদের। অন্যদিকে, ওই অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের মেলামেশা এতটাই খোলাখুল ভাবে চলছিল যে স্ত্রী সঙ্কগীতা দিনের পর দিন সাংঘাতিক মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছে। অহেতুক বিতর্ক চান না বলেই এখনও ওই অভিনেত্রীর নাম-পরিচয় প্রকাশ্যে আনেননি বলেও জানিয়েছেন সঙ্কগীতা। তবে অভিনেতার প্রতি তাঁর স্ত্রী’র অভিযোগ যথেষ্টই গুরুতর।
২৭ বছরের দাম্পত্য বিজয় এবং সঙ্কগীতার। ১৯৯৯ সালের ২৫ অগস্ট চেন্নাইতে বিয়ে করেছিলেন বিজয় এবং সঙ্কগীতা। ২০০০ সালের ২৬ অগস্ট প্রথম সন্তান (ছেলের) জন্ম দেন সঙ্কগীতা। এরপর ২০০৫ সালে তাঁদের পরিবারে আসে দ্বিতীয় সন্তান। এবার কন্যাসন্তানের মা-বাবা হন বিজয় এবং সঙ্কগীতা। অভিনেতাকে বিয়ে করলেও তারকাসুলভ লাইমলাইট থেকে ব্যক্তিগত জীবন চিরকাল আড়ালেই রেখেছেন বিজয়ের স্ত্রী। সেভাবে তেমন কোনও অনুষ্ঠান, সিনেমার লঞ্চ ইভেন্ট, গান রিলিজ – কোথাওই দেখা যায়নি সঙ্কগীতাকে। বিয়ের ২৭ বছর বিজয়ের বিরুদ্ধে তাঁর স্ত্রী যেসব অভিযোগ তুলে ডিভোর্সের মামলা করেছেন সেই প্রসঙ্গে এখনও থালাপতি বিজয়ের তরফে কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
(Feed Source: abplive.com)
