
Healthy Liver Tips:ডেস্ক কর্মীদের লিভারের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। দীর্ঘ সময় ধরে এক জায়গায় বসে থাকা, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং খারাপ খাদ্যাভ্যাস – এই সব কারণেই লিভারের ক্ষতি হতে পারে। ব্যস্ত অফিস জীবনে সুস্থ লিভার বজায় রাখার জন্য এই টিপসগুলি অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
লিভার সম্পর্কিত সমস্যাগুলি আজকাল ক্রমশ সাধারণ হয়ে উঠছে। যারা সীমিত শারীরিক পরিশ্রম করেন তারাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। ফলস্বরূপ, ডেস্ক জব কর্মীদের মধ্যে এটি একটি সাধারণ অবস্থা হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যস্ত অফিস রুটিনের মধ্যেও লিভারের যত্ন নেওয়া উচিত।
লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমা হলে ফ্যাটি লিভার হয়। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক ক্রিয়াকলাপের অভাবই এর প্রধান কারণ। যদি সমাধান না করা হয়, তাহলে এই সমস্যাটি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে এবং লিভারের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করতে পারে। বলছেন বিশেষজ্ঞ সঞ্জীব সায়গল।
জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন জানিয়েছে যে এই সহজ অভ্যাসগুলি গ্রহণের মাধ্যমে আমরা কেবল ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ করতে পারি না বরং আমাদের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি করতে পারি। ব্যস্ত জীবনযাত্রার মধ্যেও সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা সম্ভব; এর জন্য প্রয়োজন কেবল একটু সচেতনতা এবং নিয়মিত প্রচেষ্টা। সৌভাগ্যবশত, কয়েকটি সহজ অভ্যাস এটি প্রতিরোধ করতে পারে এবং লিভারকে সুস্থ রাখতে পারে।
জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন অনুসারে, আপনার লিভারকে সুস্থ রাখতে, প্রথমত, দীর্ঘ সময় ধরে এক জায়গায় বসে থাকা এড়িয়ে চলুন। প্রতি বা দুই ঘন্টা অন্তর ঘুম থেকে উঠে অল্প হাঁটাহাঁটি করুন। ছোট ছোট হাঁটার বিরতি নিন এবং হালকা স্ট্রেচিং করুন। এটি রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং লিভারে চর্বি জমা কমাতে সাহায্য করে। অফিসের চেয়ারে বসে আপনার পা আলতো করে নাড়াচাড়া করা বা কাঁধের ব্যায়াম করাও উপকারী হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হল সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা। আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি, মৌসুমি ফল এবং গোটা শস্য অন্তর্ভুক্ত করুন। ভাজা, তৈলাক্ত এবং মশলাদার খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন। উচ্চ চিনি এবং চর্বিযুক্ত পানীয়, যেমন কোল্ড ড্রিঙ্কস এবং জাঙ্ক ফুড, লিভারের জন্যও ক্ষতিকর। পরিবর্তে, প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন এবং সহজ, ঘরে রান্না করা খাবারকে অগ্রাধিকার দিন।
তৃতীয় সহজ সমাধান হল নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিভার ফাংশন টেস্ট (LFTs) এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা পর্যায়ক্রমে করান। যদি তাড়াতাড়ি ধরা পড়ে, তাহলে ফ্যাটি লিভার সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ওজন নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং আপনার ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়াও সহায়ক।
(Feed Source: news18.com)
