Israel Iran War: তেহরানে একের পর এক বিস্ফোরণ, ইজরায়েল–আমেরিকা যৌথ হামলায় কোথায় খামেইনি? বাড়ছে আতঙ্ক…

Israel Iran War: তেহরানে একের পর এক বিস্ফোরণ, ইজরায়েল–আমেরিকা যৌথ হামলায় কোথায় খামেইনি? বাড়ছে আতঙ্ক…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: শনিবার ভোর। তেহরানের আকাশ কেঁপে উঠল একের পর এক বিস্ফোরণে। যৌথভাবে হামলা চালাল ইজরায়েল (Israel) ও আমেরিকা (United States)। রাজধানী তেহরান (Tehran) ছাড়াও ইস্পাহান (Isfahan), করাজ (Karaj), কেরমানশাহ (Kermanshah)-এ বিস্ফোরণের খবর মিলেছে। রাস্তায় বেজে উঠেছে সাইরেন। ব্যাহত মোবাইল পরিষেবা । বন্ধ বিমানবন্দর । ইজরায়েল এই হামলার নামকরণ করেছে অপারেশন রোরিং লায়ন (Operation Roaring Lion)।

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে তৈরি হয়েছে যুদ্ধের আশঙ্কা। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা করেন এটি ‘আগাম হামলা’। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাৎজ (Israel Katz) জানান, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে এই হামলা চালানো হয়েছে। সারা দেশে জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। বন্ধ বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর (Ben Gurion Airport)। বাতিল করা হয়েছে বহু উড়ান। নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এই পরিস্থিতি আঁচ করে আগেই চিন-সহ ১৫টি দেশ ইরান থেকে তাদের নাগরিকদের সরে যেতে বলে।

খামেইনি (Ali Khamenei) কোথায়?

হামলার পর থেকেই প্রশ্ন— ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনি (Ali Khamenei) কোথায়? রয়টার্স (Reuters)-এর খবর, তাঁকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই তিনি প্রকাশ্যে ছিলেন না। তেহরানের কেন্দ্রে বড় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। একটি হামলা তাঁর দফতরের কাছাকাছি হয়েছে বলেও দাবি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের।

পাশাপাশি ভেস্তে গেল আলোচনা। মাত্র দু’দিন আগেই আলোচনা হয়েছিল জেনেভায়। মধ্যস্থতায় ছিল ওমান । আমেরিকার দাবি— ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। ইরানের বক্তব্য— সেটাই তাদের ‘লাল দাগ’। তবে সমঝোতা হয়নি। আলোচনা থেমে গেল। শুরু হল সামরিক পদক্ষেপ।

ইরান কি পালটা জবাব দেবে? সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন সেটাই। আগের সংঘাতে ইরান শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছিল ইজরায়েলের দিকে। এ বারও ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (Islamic Revolutionary Guard Corps বা IRGC) জানিয়েছে— সব পথ খোলা রয়েছে। হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) বন্ধ করার হুঁশিয়ারিও শোনা যাচ্ছে। বিশ্বের বড় অংশের তেল ওই পথ দিয়েই যায়।

বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ। কাতারে (Qatar) আমেরিকার দূতাবাস কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেছে। রাশিয়া (Russia) ও চিন (China) জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তার প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়বে। ইতোমধ্যেই তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী। আগুন জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্যে। এই সংঘাত এখানেই থামবে, না কি আরও ছড়াবে— উত্তর মিলবে আগামী কয়েক দিনে।

(Feed Source: zeenews.com)