
পাঁচবারের জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী শ্রেয়া ঘোষাল জিতেছেন একাধিক ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডস, তাঁর ঝুলিতে রয়েছে অগণিত সুপারহিট মনোমুগ্ধকর গান। এবিপি নেটওয়ার্কের আইডিয়াজ় অব ইন্ডিয়া সম্মেলন ২০২৬ এ শ্রেয়া বলেন, “এই অনুষ্ঠানে এসে খুব ভালো লাগছে। ১৬ বছর বয়সে যখন থেকে আমার যাত্রা শুরু হয়েছে তখন আমি নিজেও জানতাম না কী হবে, আমার বহির্বিশ্ব সম্পর্কে কোনও ধারণা ছিল না। কিন্তু সঙ্গীতের সঙ্গে আমার সংযোগ এর অনেক আগে থেকেই। দেবদাস ছবিতে আমার ৫টি গান ছিল। সেখান থেকে আমাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।” এই অনুষ্ঠানের মঞ্চে ‘দেবদাস’ ছবির গানের প্রথম দিনের রেকর্ডিংয়ের স্মৃতি ঘেঁটে দেখেন শ্রেয়া।
যাত্রা কতটা মসৃণ ছিল?
শ্রেয়া ঘোষাল বলেন, “কেরিয়ারের শুরুতে স্টিরিওটাইপ হয়ে যাওয়া সহজ, তাই আমি সঠিক সুযোগের জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। এরপর ধীরে ধীরে অনেকের সান্নিধ্যে আসি। অনেকের সঙ্গে ভালো পার্টনারশিপ তৈরি হয়েছে।”
পছন্দের বাংলা গান কোনটা?
শ্রেয়া বলেন, “অন্তহীন ছবিতে গান গেয়েছিলাম। ওই ছবির অ্যালবামটাই অন্যরকম। অন্তহীন ছবির যাও পাখি আমার খুব পছন্দের।”
পরিচিতি তৈরির জন্য প্লে-ব্যাক কতটা দরকার?
শ্রেয়া ঘোষাল উত্তরে বলেন, “এখন সময় বদলে গেছে। এখন স্বাধীনভাবে কিছু করলে দর্শক খুব বেশি পছন্দ করেন। আমরা যখন এসেছিলাম তখন ছবিতে গান গাওয়াই অপশন ছিল। এখন চিত্রটা অন্যরকম।” শ্রেয়া বলেন, “আমি এখন একজন মা। আমার ৪ বছরের ছেলে রয়েছে। আমাকে ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্স খুঁজতে হয়েছে। তাই যা করছি তাতে যদি ১০০ শতাংশ খুশি না মেলে সেটা না করে ভালো – এখন এই ধারনাটি অনেক পরিষ্কার হয়ে গেছে।”
দীর্ঘ কেরিয়ারের কোন মন্ত্রে এগিয়ে চলা?
শ্রেয়া ঘোষাল বলেন, “জিরো কম্প্রোমাইজ। কাজের গুণমান নিয়ে কোনও আপস নয়। আমার মনে হয় আপনি যদি মন থেকে গান করেন, তাতে যদি গানের সংখ্যা কমও হয় তবু দর্শক আপনাকে ভালোবাসবে। দর্শক ভগবান। নিজের কাজের প্রতি সৎ থাকা খুব দরকার। নিজের ১০০ শতাংশ দিয়ে কাজ করা – আমার এটাই মন্ত্র।”
(Feed Source: abplive.com)
