Tirupati Temple Ghee: তিরুপতিতে মাঁখোর দেশের জিভ ও নাক! লাড্ডু যাচাই করতে ২৫ কোটির ই-টাং ও ই-নোজ…

Tirupati Temple Ghee: তিরুপতিতে মাঁখোর দেশের জিভ ও নাক! লাড্ডু যাচাই করতে ২৫ কোটির ই-টাং ও ই-নোজ…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফের হইচই তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমে (TTD)! কেন? ফের কোনও গন্ডগোল? না, গন্ডগোল কিছু নয়। জানা গিয়েছে, তিরুপতি প্রসাদের ঘিয়ের মান যাচাই (test prasadam ghee quality) করতে আসছে ২৫ কোটি টাকার ফ্রেঞ্চ ‘ই-টাং’ ও ‘ই-নোজ’ (Rs 25 crore French e-tongue e-nose) প্রযুক্তি! তিরুপতি প্রসাদ-বিতর্কে (controversies over quality of ghee supplied to Tirumala Tirupati Devasthanams) বেশ কিছুদিন আগেই তোলপাড় হয়েছে সারা দেশ। ফলে, নড়েচড়ে বসেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। নতুন ব্যবস্থা বহাল করতে হয়েছে সেখানে। কী ব্যবস্থা?

তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম

তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম (TTD)-এর বিশ্ববিখ্যাত লাড্ডু প্রসাদে ব্যবহৃত ঘি এবং অন্যান্য উপকরণের বিশুদ্ধতা নিয়ে তোলপাড় হয়েছে গোটা দেশ। তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রবল বিতর্ক। এবার ওই লাড্ডু প্রসাদে ব্যবহৃত ঘি এবং অন্যান্য উপকরণের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করতে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার এক অভাবনীয় পদক্ষেপ নিল। মন্দিরে একটি অত্যাধুনিক খাদ্য পরীক্ষাগার (Food Testing Lab) স্থাপন করেছে তারা। যেখানে মানুষের জিহ্বা ও নাকের মতোই কাজ করবে এমন এক অত্যাধুনিক ফরাসি ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

জিভ ও নাক

ফ্রান্স থেকে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ই-টাং’ (ইলেকট্রনিক জিহ্বা) এবং ‘ই-নোজ’ (ইলেকট্রনিক নাক) নামক দুটি উচ্চ-প্রযুক্তির যন্ত্র আনা হচ্ছে। এগুলি ঘিয়ের স্বাদ এবং সুগন্ধের সূক্ষ্মতম পরিবর্তন বা ভেজাল শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।

ফুড সেফটি এবং

এই পুরো পরীক্ষাগারটি তৈরিতে খরচ হচ্ছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া’ (FSSAI) ২৩ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে।

ঘিয়ে ভেজাল?

২০২৪ সালে তিরুপতির লাড্ডু তৈরিতে ব্যবহৃত ঘিয়ে ভেজালের অভিযোগ ওঠার পরই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য, প্রসাদের পবিত্রতা এবং গুণমান বজায় রেখে ভক্তদের আস্থা ফিরিয়ে আনা।

কী কী পরীক্ষা হবে? 

ওই খাদ্য পরীক্ষাগারে শুধু ঘি নয়, ঘি ছাড়াও কাজু, কিসমিস, এলাচ, চিনি এবং লঙ্কার গুঁড়ো-সহ প্রায় ৬০ ধরনের কাঁচামাল পরীক্ষা করা হবে। এমনকি মন্দিরের পানীয় জলও নিয়মিত পরীক্ষা করা হবে।

তীর্থে প্রথম

কবে চালু হবে এই ল্যাব? ল্যাবটির নির্মাণকাজ প্রায় ৯০% সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী মাস থেকেই এটি চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর ফ্রেঞ্চ যন্ত্রগুলি মে মাসের মধ্যে পুরোপুরি কার্যকর হবে। কেন এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ? প্রথাগত ল্যাব টেস্টে অনেক সময় লাগে, কিন্তু এই ইলেকট্রনিক জিহ্বা ও নাক মুহূর্তের মধ্যে ঘিয়ের গুণমান বা সামান্যতম পচনও বিজ্ঞানসম্মতভাবে বিশ্লেষণ করতে পারবে। অন্ধ্রপ্রদেশের কোনো তীর্থস্থানে এই ধরনের অত্যাধুনিক ল্যাব স্থাপনের ঘটনাও এই প্রথম।

(Feed Source: zeenews.com)