মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি। হরমুজ প্রণালীতে আটকে কয়েকশো তেলের ট্যাঙ্কার! এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়িয়েছিল, দেশে নাকি পেট্রল- ডিজেলের ঘাটতি হয়েছে! কিন্তু এইসব গুঞ্জনলে উড়িয়ে দিয়ে ট্যুইট করল ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন! জানিয়ে দিল, পর্যাপ্ত তেল রয়েছে দেশে
Indian Oil Corp Ltd tweets, “Reports on social media suggesting a shortage of petrol and diesel are baseless
নয়াদিল্লি: জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য! হরমুজ প্রণালীতে আটকে কয়েকশো তেলের ট্যাঙ্কার! এর মধ্যে ভারতীয় পতাকাবাহী ৩৭টি জাহাজও আটকে রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মনে আশঙ্কা, যুদ্ধ পরিস্থিতি বজায় থাকলে, আগামী দিনে কি ভারতে তেলের সংকট দেখা দিতে পারে? যদিও ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে দেশে। কিন্তু তাতেও মানুষের মনে খানিক দ্বিধা-দ্বন্দ্ব রয়েই যাচ্ছে!
এর মধ্যেই গুজব ছড়িয়েছে, দেশে নাকি পেট্রল-ডিজেলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে! এই খবরকে একেবারেই ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্যুইট করল ‘ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড’! জানিয়ে দিল, “সোশ্যাল মিডিয়ায় পেট্রল ও ডিজেলের ঘাটতি নিয়ে যে খবর ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ভারতে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে চলছে। নাগরিকদের অনুরোধ করা হচ্ছে, আতঙ্কিত হবেন না। পেট্রোল পাম্পে অযথা ভিড় করবেন না এবং সঠিক তথ্যের জন্য শুধুমাত্র সরকারি সূত্রের উপরই নির্ভর করুন।”
বিশ্ববাজারে জ্বালানির আকাল। এই ‘সংকট’ রুখতে ভারতকে ইতিমধ্যেই বড়সড় স্বস্তি দিয়েছে আমেরিকা। শুক্রবার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ঘোষণা করেছেন, আগামী ৩০ দিন রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ভারতের উপর কোনও বাধা থাকবে না। মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ৫ মার্চ পর্যন্ত যে সমস্ত রুশ জাহাজ মাঝসমুদ্রে পণ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, আগামী ৩ এপ্রিল পর্যন্ত ভারত সেই তেল কিনতে পারবে। এমনকী নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা জাহাজগুলিকেও এই ছাড়ের আওতায় আনা হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে স্কট বেসেন্ট জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জমানায় আমেরিকার তেল উৎপাদন রেকর্ড গড়েছে। ভারত আমেরিকার অত্যন্ত জরুরি সহযোগী দেশ। তাই বৈশ্বিক তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং ইরানের ‘জ্বালানি-আকাল’ দশা থেকে মুক্তি পেতে এই সাময়িক পদক্ষেপ করা হয়েছে।
(Feed Source: news18.com)