Targetting Mecca Medina: ইরান কি শেষে মক্কা-মদিনা আক্রমণ করে বসবে? দুই তীর্থনগরীর সুরক্ষায় ৫ ‘ডেডলি ডিফেন্স’

Targetting Mecca Medina: ইরান কি শেষে মক্কা-মদিনা আক্রমণ করে বসবে? দুই তীর্থনগরীর সুরক্ষায় ৫ ‘ডেডলি ডিফেন্স’

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: যুদ্ধের বাজারে কি ইরান এবার মক্কা-মদিনায় হামলা (Targetting Mecca Medina in Iran Israel-US AWar?) চালাবে? বাতাসে তেমনই গন্ধ ছিল বলে অনুমান একাংশের। সেই মতো মক্কা ও মদিনাকে রক্ষায় কোমর বেঁধে নেমেও পড়েছে সৌদি আরব। সৌদি আরব তাদের পবিত্র এই দুই শহরকে রক্ষার জন্য বিশ্বের অন্যতম উন্নত এবং বহুমুখী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে। রেখেছে প্যাট্রিয়ট PAC-3, THAAD, চিনা লেজার অস্ত্র! যাতে আকাশপথের যেকোনো সম্ভাব্য আক্রমণকে দ্রুত প্রতিহত করা যায়।

ইরান-আরব উত্তজনা

ইরান বেশ কিছুদিন ধরে সৌদি আরবের উপর বিভিন্ন সময় মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এর অনেকগুলিকেই প্রতিহত করতে পেরেছে। তবে তার মধ্যেও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন তাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভেদ করে তেল শোধনাগারে বা অন্যত্র আঘাত হেনেছে।

মক্কা-মদিনা

সারা পৃথিবীর মুসলিমদের কাছে মক্কা ও মদিনার ধর্মীয় গুরুত্ব অপরিসীম। তাঁরা তাঁদের মনের মণিকোঠায় এই দুটি তীর্থের মধুর স্মৃতি লালন করেন। এহেন মক্কা-মদিনাকে কখনও যে বিপন্ন মনে হয়নি, তা নয়। অতীতে মদিনার কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ড্রোন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে, যা সৌদি আরব প্রতিহত করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইরান সরাসরি এই শহরগুলিতে আক্রমণ করার সাহস করবে না, কারণ এতে পুরো মুসলিম বিশ্বের কাছে তারা প্রবল ভাবে নিন্দিত হবে।

সৌদির আত্মসুরক্ষা

সৌদি আরব অবশ্য যথোচিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রেখেছে। মক্কা ও মদিনার সুরক্ষার জন্য সৌদি আরব পাঁচ উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী সুরক্ষবলয় তৈরি করেছে:

প্যাট্রিয়ট PAC-3 (Patriot PAC-3): এটি তাদের প্রধান প্রতিরক্ষা ঢাল, যা স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল ধ্বংস করতে সক্ষম।

থাড (THAAD): এটি বিশ্বের অন্যতম উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ভেতরে ও বাইরে যেকোনো মিসাইলকে ধ্বংস করতে পারে।

KM-SAM ব্লক-টু: দক্ষিণ কোরিয়ার তৈরি এই উন্নত মোবাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি বিমান ও মিসাইল শনাক্তকরণে অত্যন্ত নিখুঁত।

চিনা লেজার অস্ত্র: ড্রোন হামলা ঠেকানোর জন্য সৌদি আরব ৩০-কিলোওয়াট ক্ষমতার চিনা ফাইবার-অপটিক লেজার সিস্টেম ব্যবহার করে, যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ড্রোন ধ্বংস করতে পারে।

স্কাইগার্ড ৩৫ মিমি ক্যানন (Skyguard 35mm Cannons): এগুলি হল প্রতিরক্ষার শেষ স্তর। যদি কোনো মিসাইল বা ড্রোন আগের স্তরগুলি পেরিয়ে কোনও ভাবে ভেতরে ঢুকে আসে, তবে এই রাডার-নির্দেশিত কামানের মাধ্যমে সেগুলিকে ধ্বংস করা হবে।

মোটকথা, সৌদি আরব তাদের পবিত্র এই শহরদুটিকে যে কোনো সম্ভাব্য সামরিক বিপদ থেকে সুরক্ষিত রাখতে তৈরি। অত্যন্ত শক্তিশালী ও আধুনিক আকাশ-প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক মোতায়েন করে রেখেছে তারা।

(Feed Source: zeenews.com)