Mojtaba Khamenei: বিমানহানায় দানবীয় বিস্ফোরণ, ইরানের নতুন আয়াতোল্লাহ কোমায়

Mojtaba Khamenei: বিমানহানায় দানবীয় বিস্ফোরণ, ইরানের নতুন আয়াতোল্লাহ কোমায়

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেইনি নিজের বাবা আলি খামেইনির মৃত্যুর কয়েকদিন পর প্রথমবার প্রতিশোধের কথা বলেছেন। মার্কিন হামলায় আহত অবস্থায় তিনি এক লিখিত বার্তায় বলেন, ‘আমাদের শহিদদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়া থেকে আমরা পিছিয়ে থাকব না। শত্রুর হাতে নিহত প্রতিটি নাগরিকের জন্যই প্রতিশোধ নেওয়া হবে।’

সূত্রের দাবি, মার্কিন-ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় মুজতবা খামেইনি গুরুতর আহত হন। তিনি সেই হামলায় নিজের একটি পা হারিয়েছেন এবং পেটে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। তাছাড়াও ওই হামলায় তার পরিবারের সদস্যরাও নিহত হন। তিনি বলেন, আমেরিকার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শাজারাহ ত্যয়েবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৭৫ জন শিশু নিহত হয়েছে, তাদের প্রতিশোধও নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিশোধের কিছু অংশ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এই মামলা অন্যান্য মামলার চেয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে’।

তবে এখনও স্পষ্ট নয় ঠিক কবে মুজতবা খামেইনি এই আঘাত পেয়েছেন। তবে খবরটি প্রকাশ্যে এসেছে, আলি খামেইনির মৃত্যুর পর, তার কাঁধে শাসনভার আসার ঠিক কয়েকদিনের মধ্যেই।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া যুদ্ধের সময় একটি বিমান হামলায় তার বাবা আলি খামেইনি, মা মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ, ২০ বছরের স্ত্রী জাহরা এবং তার এক ছেলে মহাম্মদ নিহত হন বলে জানা গেছে। বাবার মৃতদেহ দেখার পর তিনি বলেন, ‘শহিদের পর তার মৃতদেহ দেখার সুযোগ আমি পাই। আমি সেখানে দেখেছি শক্তির এক পাহাড় এবং শুনেছি তার সুস্থ হাতটি শক্তভাবে মুঠো করা ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা তাকে চিনতেন, তাদের তার ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে অনেক কিছু বলার থাকবে।’

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের একটি সূত্র অনুযায়ী, ওই হামলায় মুজতবার পা ভেঙে যায়, বাম চোখে আঘাত লাগে এবং মুখে কাটা-ছেঁড়া হয়। বর্তমানে তিনি তেহরানের সিনা ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। অন্য একটি সূত্রের দাবি, তার একটি বা দুটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে এবং পেট বা লিভারেও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। তবে আঘাতগুলো পুরোনো হামলা নাকি নতুন হামলায় হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। এমনকি গুজব রয়েছে, কোমায় থাকা অবস্থাতেই তাকে আয়াতোল্লাহ ঘোষণা করা হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার, ইরাকের উপকূলে দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা হয়েছে। সেফ-সি বিষ্ণু (Safesea Vishnu) ও জেফিরোস (Zefyros) নামের জাহাজ দুটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলে আঘাত পেয়ে আগুন ধরে যায়। ৩৮ জন নাবিককে উদ্ধার করা হলেও একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরেকটি কন্টেইনার জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরশাহি উপকূলে আগুনে পুড়ে যায়, তবে সব নাবিক নিরাপদে আছেন। ঘটনার পর ইরাক তেল আমদানি-রপ্তানির সব বন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। তবে জানিয়েছে, বাণিজ্যিক কন্টেইনার জাহাজ চলাচলের জন্য বন্দরগুলো স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে।

(Feed Source: zeenews.com)