
নিউ ইয়র্ক: যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশগ্রহণে রাজি নয় ইরান। তারা ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিয়েছে। চলতি বছরেই বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজিত হবে। আমেরিকার মাটিতেই হবে এই মেগা টুর্নামেন্ট। এছাড়াও মেক্সিকো ও কানাডাতেও হবে কিছু ম্য়াচ। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান এই টুর্নামেন্ট থেকে নিজেদের নাম তুলে নিতে চেয়েছে। এরপর ইস্যুতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় এবার প্রথমবার মুখ খুললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের সোশ্য়াল মিডিয়ায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বলেন, ”ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি। কিন্তু আমি মনে করি যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁদের এই টুর্নামেন্টে খেলতে আসা উচিৎ নয়।” অর্থাৎ আমন্ত্রণ জানিয়েও পাল্টা খোঁচা দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট।
US President Donald Trump posts on Truth Social – “The Iranian National Soccer Team is welcome to The World Cup, but I really don’t believe it is appropriate that they be there, for their own life and safety…” pic.twitter.com/5u5EJ76z6T
— ANI (@ANI) March 12, 2026
এর আগেই গত বুধবার, ইরানের ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক দফতরের মন্ত্রী আহমাদ দনিয়ামালি এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, সে দেশের জাতীয় ফুটবল দল ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করার মতো অবস্থায় নেই । মঙ্গলবার আই আর আইবি স্পোর্টস নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক দফতরের মন্ত্রী বলেন, ”আমেরিকার সরকার আমাদের নেতাকে হত্যা করেছে। তাই কোনও অবস্থাতেই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মতো উপযুক্ত পরিস্থিতি আমাদের নেই। আমাদের ছেলেরা ওখানে নিরাপদ নয় ও ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতিও এখন নেই।”
উল্লেখ্য, ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আশাবাদী ছিলেন যে ইরান হয়ত ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেবে। কিন্তু সে দেশের ক্রীড়া মন্ত্রকের বিবৃতির পর সেই আশায় আপাতত জল ঢেলে দিয়েছে। ইনফান্তিনো এমনও জানিয়েছিলেন যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ফুটবলারদের নিরাপত্তা দেবেন। কিন্তু তাতে চিড়ে ভেজেনি।
মৌন প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন ইরানের মহিলা ফুটবলাররা
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে ইরানের মহিলা ফুটবল দল মৌন প্রতিবাদ দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগেই নিয়মমাফিক দুই দলের জাতীয় সংগীত বাজানো হয় স্টেডিয়ামে। কিন্তু ইরানের মহিলা দলের ফুটবলাররা কেউই জাতীয় সংগীত গাননি। দলের সকল ফুটবলাররাই লাইনে পরপর দাঁড়িয়ে থাকলেও, তাঁদের কারুরই গলা থেকে জাতীয় সংগীত বেরোয়নি।
(Feed Source: abplive.com)
