Indian Railways: ‘চেন টানা বন্ধ করুন, মূল্যবান সময় বাঁচান…’ ট্রেনে চেনের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে পূর্ব রেলের লড়াই

Indian Railways: ‘চেন টানা বন্ধ করুন, মূল্যবান সময় বাঁচান…’ ট্রেনে চেনের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে পূর্ব রেলের লড়াই

অননুমোদিত চেন টানা রেলের শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা এবং পরিবহণ নেটওয়ার্কের জন্য একটি লজিস্টিক বিপর্যয়। যখন একজন যাত্রী বৈধ জরুরি অবস্থা—যেমন আগুন, চিকিৎসা সঙ্কট বা নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া—ছাড়াই চেন টানেন, তখন ট্রেনের ভ্যাকুয়াম ব্রেক সক্রিয় হয় এবং বিশাল ট্রেনটি মাঝপথে থমকে যায়।

চেনের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে পূর্ব রেলের লড়াই

আবীর ঘোষাল, কলকাতা: আপনি যদি মনে করেন যে অ্যালার্ম চেন পুলিং (ACP) আপনার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ট্রেন থামানোর একটি সহজ উপায়, তবে আরও একবার ভাবুন। বিপ্লব বাউরি (নাম পরিবর্তিত) নামের এক যাত্রীর কাছে ৬৩১০১ লোকাল ট্রেনে বেথুয়াডহরি যাওয়ার সফরটি ছিল এক মূল্যবান শিক্ষা। কৃষ্ণনগর স্টেশন থেকে ট্রেনটি ছাড়ার মুহূর্তেই তাঁর স্ত্রী উপলব্ধি করেন যে তাঁরা বিখ্যাত সরভাজা মিষ্টি কিনতে ভুলে গিয়েছেন। প্যানিক বা আতঙ্কের বশবর্তী হয়ে—এবং সম্ভবত মিষ্টি ছাড়া বাড়ি ফেরার ভয়ে—বিপ্লব চেন টেনে দেন। মিষ্টির স্বাদ নেওয়ার বদলে তাঁকে আরপিএফ (RPF)-এর মুখোমুখি হতে হয় এবং ১,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়; যা আদতে সেই না কেনা মিষ্টিগুলোকে বাংলার সবচেয়ে দামী মিষ্টিতে পরিণত করে। অন্যদিকে, অয়ন মল্লিকের (নাম পরিবর্তিত) এক ‘হিরো’ বন্ধু হওয়ার চেষ্টা তাঁর ছুটি কাটানোর পরিকল্পনাকে আইনি দুঃস্বপ্নে বদলে দেয়। হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়ার সময় তাঁর এক বন্ধু তখনও প্ল্যাটফর্মে দৌড়াচ্ছিলেন। অয়ন বন্ধুকে বাঁচানোর জন্য চেন টানেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্রীঘরে যেতে হয়। ছুটি বাতিল হয়, ব্যাগ গোছানোই পড়ে থাকে এবং সেই ‘হিরো’ তাঁর ছুটি কাটান আরপিএফ-এর হেফাজতে।