LPG Crisis: হাড়ি চড়ল না রাম রসোইতে, এলপিজি সংকটে খোদ অযোধ্যার রাম মন্দির

LPG Crisis: হাড়ি চড়ল না রাম রসোইতে, এলপিজি সংকটে খোদ অযোধ্যার রাম মন্দির

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইরান-ইসরায়েলের যুদ্ধের জেরে দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র গ্যাসের সংকট। এই সংকট দেখা দিয়েছে ভারতের বিভিন্ন রান্নাঘরে, যা লাখ লাখ গরিব মানুষ ও তীর্থযাত্রীদের কাছে খাবার পরিবেশন করে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে গ্যাস সরবরাহতে বিঘ্ন ঘটায় ভারতে বাণিজ্যিক এলপিজি গ্যাসের সংকট দেখা দেয়। এবং এর সবচেয়ে বড় প্রভাব দেখা গিয়েছে অযোধ্যার রামমন্দিরে। রামমন্দিরের ‘রাম রসোই’, যা বছরের পর বছর নিরবিচ্ছন্নভাবে চলছিল, এখন তা নিভে গেছে। এর ফলে বড় প্রশ্ন হলো, দিল্লি থেকে তামিলনাড়ু পর্যন্ত যে সব ফ্রি কিচেন রয়েছে, সেগুলিও কি প্রভাবিত হবে?

অযোধ্যার রাম মন্দিরের কাছে অবস্থিত বিখ্যাত অমাভা মন্দিরে পরিচালিত ‘রাম রসোই’-এর বাইরে একটি নোটিস টাঙানো হয়েছে। তাতে লেখা রয়েছে, ‘রান্নার গ্যাসে তীব্র সংকটের কারণে, রাম রসোই স্থগিত থাকবে।’ ঠিক এই রান্নাঘরই এক সময়ে বিনামূল্যে ১০০০০ থেকে ২০০০০ ভক্তদের খাবার পরিবেশন করতেন।

মন্দিরের কর্তৃপক্ষরা বলছেন, বাণিজ্যিক এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। যদিও এখন তারা কাঠ, কয়লার মতো ঐতিহ্যবাহী বিকল্পগুলি ব্যবহার করার কথা ভাবছে। তবে এতগুলোর মানুষের জন্য স্টোভে খাবার বানানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে।

গ্যাসের এই সংকট শুধুমাত্র অযোধ্যা পর্যন্তই সীমাবদ্ধ নেই। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার নেতৃত্বাধীনে দিল্লি সরকারের পরিচালিত ‘অটল ক্যান্টিন’ ও তামিলনাড়ুর বিখ্যাত ‘আম্মা ক্যান্টিন’ও এই সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

অটল ক্যান্টিন: দিল্লিতে অটল ক্যান্টিন কম মূল্যে গরিবদের খাবার পরিবেশন করে। এখন তাদের কাছে দুই থেকে তিন দিনের মতো গ্যাস মজুত বাকি আছে। বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহের জন্য দিল্লি সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন করেছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির জেরে, অনেক সেন্টারে মেনু কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আম্মা ক্যান্টিন: তামিলনাড়ুর খাদ্যমন্ত্রী আর.সক্কারাপানি সতর্ক করে বলেছেন, যে রাজ্যে বাণিজ্যিক এলপিজির মজুত মাত্র দুই থেকে চার দিনের জন্যই যথেষ্ট। যদি দ্রুত গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক না হয়, তাহলে লক্ষ লক্ষ শ্রমজীবী মানুষকে সহায়তা করা আম্মা ক্যান্টিনের মতো প্রকল্পগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

(Feed Source: zeenews.com)